অভিনেতা হিসেবে জীবনের শেষ ছবি। কিন্তু সেই ছবি মুক্তি নিয়েই যে ধরনের টানাপোড়েন চলছে সেটাও একটা ছবির চিত্রনাট্য থেকে কম কিছু না। কথা হচ্ছে থলপতি বিজয়ের কেরিয়ারের শেষ ছবি 'জন নয়াগনে'র। এই ছবির একের পর এক মুক্তির দিন নির্ধারিত হলেও প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়নি বিজয়ের ছবি। আর এর এক এবং একমাত্র কারণ সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়া। 'সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন'র সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ছবির নির্মাতারা। কিন্তু এই বিষয়ে কোনওরকম হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালতও। মামলা ফেরত পাঠানো হল মাদ্রাজ হাই কোর্টে।
'জন নয়াগন' ছবিতে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়ার মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে যে স্থগিতাদেশ জারি হয়েছিল তা নিয়ে ছবির নির্মাতারা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট নির্মাদের আবেদন খারিজ করে। শুধু তাই নয়, দ্রুত শুনানির জন্য নির্মাতাদের অধৈর্য হওয়ার মতো বিষয়কেও ভর্ৎসনা করা হয়েছে। নির্মাতাদের তরফে কীসের এত তাড়া সেই প্রশ্নো উঠে এসেছে। এদিন বিজয়ের ছবি সংক্রান্ত মামলাটি সুপ্রিম কোর্ট ফের মাদ্রাজ হাইকোর্টেই ফেরত পাঠিয়ে দেয়। একইসঙ্গে আগামী ২০ জানুয়ারি, ছবির নির্মাতাদের মাদ্রাজ হাইকোর্টে এই মামলার নিস্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
‘জন নয়াগন’-এর দৃশ্যে থলপতি বিজয়।
বলে রাখা ভালো, গত ৯ জানুয়ারি থলপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নয়াগন’-এর রিলিজ করার কথা ছিল। তবে আচমকাই জানা যায়, নির্ধারিত দিনে মুক্তি পাচ্ছে না বিজয়ের বহু প্রতীক্ষিত ছবিটি। সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র না পাওয়ায় তাই মাদ্রাজ হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নির্মাতারা। গত শুক্রবার সেই ছাড়পত্র পাওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা হয়নি। ফলত অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে গিয়েছে থলপতির ‘জন নয়াগন’-এর মুক্তি। এদিকে সিনেমার রিলিজ পিছনোর নেপথ্যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়েছিলেন ওয়াকিবহালমহল।
