বিজয়-রশ্মিকার বিয়ে, রিসেপশনের (Rashmika Mandanna- Vijay Deverakonda Reception) দিকে নজর ছিল গোটা বিনোদুনিয়ার। বিয়ের সাজে চমক দিয়েছিলেন বিরোশ। রিসেপশনের রাতে কার্যত তারকার হাট হায়দরাবাদের বিলাসবহুল হোটেলে। আল্লু অর্জুন থেকে চিরঞ্জীবি, রামচরণ, করণ জোহর, কৃতি শ্যানন সকলেই শামিল হলেন গ্রান্ড রিসেপশনে। বাবা নাগার্জুনের সঙ্গে এলেন অভিনেতা নাগ চৈতন্য। এদিনই পরবর্তী প্ল্যান ফাঁস করলেন বিজয়। জানালেন, রিসেপশন মিটলেই রশ্মিকার সঙ্গে আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যাবেন তিনি। তবে কি এবার কিছুদিনের জন্য কাজ থেকে বিরতি নেওয়ার প্ল্যান করছেন নবদম্পতি? তা এখনও স্পষ্ট নয়।
বিজয়-রশ্মিকার গ্রান্ড রিসেপশন।
২৬ ফেব্রুয়ারি গাটছড়া বেঁধেছেন বিজয় দেবরকোন্ডা এবং রশ্মিকা মন্দানা। ৪ মার্চ হায়দরাবাদের বিলাসবহুল হোটেলে আয়োজন করা হয় গ্র্যান্ড রিসেপশনের। সেখানে যে চাঁদের হাট বসবে তা সকলেরই জানা ছিল।
আল্লু অর্জুনের সঙ্গে নবদম্পতি।
স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল হোটেল। রাত গড়াতেই দেখা গেল, একে একে আসেন আল্লু অর্জুন, নাগার্জুন, নাগা চৈতন্য। মিনিট পনেরোর জন্য এসেছিলেন চিরঞ্জীবী। স্বামীর হাত ধরে বিজয়-রশ্মিকার প্রীতিভোজে হাজির হন অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা। গিয়েছিলেন ম্রুণাল ঠাকুরও।
কৃতি স্যাননের সঙ্গে নবদম্পতি।
উল্লেখ্য, রশ্মিকার রিশেপসন লুক নজর কেড়েছিল সকলের। তিনি সেজেছেন সিঁদুর লাল রঙের শাড়িতে। সঙ্গে কালো সরু পাড়। উপরে সোনালি জরির কাজ। গলা ভর্তি গয়না। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গলার মঙ্গলসূত্র। সিঁথিতে সিঁদুর। খোঁপায় ফুল। বিজয়ের পরনে দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী ঘিয়ে-সোনালি পাড়ের ধুতি ও কুর্তা। বিয়ের মতো রিসেপশনে অবশ্য বিজয়ের গায়ে গয়নাগাটি ছিল না। অর্থাৎ রিসেপশনেও সাজগোজের ক্ষেত্রে ঐতিহ্যের উপরেই যে বিশেষ জোর দিয়েছেন বিরোশ, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।পরিবারের লোকজনের সঙ্গে হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা গিয়েছে নবদম্পতিকে।
