মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারী ছাড়াও পাঁচ মন্ত্রী শপথ নেওয়ার পর থেকেই বাকি মন্ত্রিসভা নিয়ে চর্চা ছিল তুঙ্গে। অবশেষে সেই জল্পনায় ইতি হতে চলেছে। সূত্রের খবর, সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ। একাধিক মন্ত্রী শপথ নেবেন এদিন। তাঁদের দপ্তরও বণ্টন করে দেওয়া হবে সোমবার। শোনা যাচ্ছে, নতুন মন্ত্রীদের তালিকায় চমকপ্রদ নাম অশোক দিন্দা। ভারতীয় দলের প্রাক্তন পেসারকে এবা দেখা যাবে বাংলার মন্ত্রী হিসাবে।
ক্রিকেট থেকে অবসরের পর থেকেই সক্রিয় রাজনীতিতে নেমেছিলেন দিন্দা। বিজেপিতে যোগ দেন তারকা পেসার। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেয় গেরুয়া শিবির। সেবার ময়না কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হন প্রাক্তন পেসার। তবে এতদিন থাকতে হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী আসনে। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনেও ময়না থেকে বিজেপির টিকিটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন দিন্দা। এবার তাঁর মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
শোনা যাচ্ছে, শুভেন্দু অধিকারীর সরকারে মন্ত্রী হতে পারেন বিধায়ক অশোক দিন্দা। তবে তাঁকে কোন দপ্তরের মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁকে যে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হচ্ছে, তার একটা আভাস পাওয়া গিয়েছে। কী দায়িত্ব পাচ্ছেন সেটা সোমবারই পরিষ্কার হয়ে যাবে। একটা সময়ে মনে করা হচ্ছিল, প্রাক্তন ক্রিকেটার দিন্দাকে দেওয়া হতে পারে ক্রীড়া দপ্তর। কিন্তু ক্রীড়া দপ্তর ইতিমধ্যেই তুলে দেওয়া হয়েছে নীশীথ প্রামাণিকের হাতে। তাহলে দিন্দার হাতে কোন দপ্তর দেওয়া হবে?
শোনা গিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সঞ্জীব সান্যালকে রাজ্যে অর্থমন্ত্রী করা হতে পারে। তবে সূত্রের খবর, অর্থ দপ্তর নিজের হাতেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অর্থর পাশাপাশি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরও নিজের হাতে রাখতে পারেন। আসলে তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যের ঘাড়ে একদিকে যেমন বিপুল দেনার দায়, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ না করার ফলে রাজস্বে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যের মানুষের অর্থনীতির মান নিম্নগামী মূলত এজন্যই। রাজ্যকে ঘুরে দাঁড় করানোকে চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই কারণেই অর্থ দপ্তর নিজের হাতে রেখে উন্নয়নের রোডম্যাপ নির্ধারণ করবেন।
