সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকেও অনবদ্য কামব্যাক অস্ট্রেলিয়ার। নেপথ্যে ট্র্যাভিস হেড-অ্যালেক্স ক্যারিদের ব্যাটিং পারফরম্যান্স ও তারপর জশ হ্যাজেলউডের পাঁচ উইকেট। দুইয়ের দাপটে ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে ১৫৯ রানে জিতল অজিরা। যদিও এই ম্যাচে বিতর্কও ধাওয়া করল।
বার্বাডোজে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়ে যায় ১৮০ রানে। উসমান খোয়াজার ৪৭ ও ট্র্যাভিস হেডের ৫৯ রান ছাড়া কেউ সেভাবে দাঁড়াতেই পারেননি। জেডেন সিলসের পাঁচ উইকেট ও শামার জোসেফের চার উইকেটের সামনে কার্যত অসহায় দেখাচ্ছিল অজি ব্যাটারদের। পালটা ১৯০ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়ানদের ইনিংসকে যে দু’জন টানছিলেন, সেই রস্টন চেজ (৪৪) ও শাই হোপের (৪৮) আউট নিয়েই যত বিতর্ক।
প্যাট কামিন্সের বলে এলবিডব্লু হন চেজ। সঙ্গে সঙ্গেই ডিআরএস নেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক। কিন্তু বল আগে ব্যাটে লেগেছে নাকি প্যাডে, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রিপ্লেতে দেখা যায়, ব্যাটের কাছ দিয়ে বল যাওয়ার সময় স্পষ্ট ‘স্পাইক’ রয়েছে। তারপরও আউট দেন থার্ড আম্পায়ার হোল্ডস্টক। তার কয়েক ওভার পরেই ফের নাটক। হোপের ব্যাটে লেগে বল চলে যায় উইকেটের পিছনে। উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি ঝাঁপিয়ে বল ধরলেও পরে রিপ্লেতে দেখা যায়, বল মাটিতে স্পর্শ করেছে। কিন্তু তারপরও হোপকে আউট দেওয়া হয়।
১০ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। এবারও তাদের ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। কিন্তু নীচের সারিতে ট্র্যাভিস হেড (৬১), বিউ ওয়েবস্টার (৬৩) ও অ্যালেক্স ক্যারিরা (৬৫) অস্ট্রেলিয়াকে ৩১০ রানে পৌঁছে দেন। শামার জোসেফ ৫ উইকেট তুললেও প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় অজিরা। জবাবে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জাস্টিন গ্রেভস (৩৮) ও শামার জোসেফ (৪৪) ছাড়া কেউই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি। জস হ্যাজেলউড ৪৩ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। ৪৭ রানে দুই উইকেট থেকে আচমকা ৮৬ রানে ৮ উইকেট হয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে আর প্রত্যাবর্তন করা সম্ভব হয়নি। দুই ইনিংসেই হাফসেঞ্চুরি করে ম্যাচের সেরা ট্র্যাভিস হেড।
