সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুপার কনোলি, ম্যাথু শর্ট, ম্যাথু কুনেম্যান, জাভিয়ার বার্টলেট। তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ দল নিয়েই আগামী মাসের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে আসছে অস্ট্রেলিয়া। মিচেল স্টার্ক অবসর নিয়েছেন। তাঁর কোনও যোগ্য পরিবর্ত অজি দলে নেই। আবার প্যাট কামিন্স আদৌ খেলবেন কিনা সেটাও স্পষ্ট নয়।
মিচেল মার্শের নেতৃত্বাধীন দলের বোলিং বিভাগ বড়ই অনভিজ্ঞ। প্যাট কামিন্সকে দলে রাখা হয়েছে বটে তবে তিনি চোট নিয়ে অনিশ্চিত। মিচেল স্টার্ক অবসর নিয়েছেন। সেক্ষেত্রে পেস বিভাগে হ্যাজেলউডই ভরসা। স্পিনারদের মধ্যে রয়েছেন জাম্পা। তবে বাকি বোলাররা সকলেই অনভিজ্ঞ। ব্যাটিং বিভাগে আগে বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা শুধু অধিনায়ক মার্শ, ম্যাক্সওয়েল, ক্যামেরন গ্রিন, টিম ডেভিডের। জশ ইংলিশ ছাড়া দলে কোনও উইকেটরক্ষক নেই। দলে একাধিক স্পিনার অধিকাংশই সকলেই পার্ট টাইমার এবং সেভাবে পরীক্ষিত নন। সচরাচর অজিরা বিশ্বকাপে অভিজ্ঞদের উপরই ভরসা রাখে। তবে এবার ব্যতিক্রম।
একদিন আগে আফগানিস্তানও বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগানিস্তানকে নেতৃত্ব দিতে চলেছেন রশিদ খান। বুধবার বিশ্বকাপের জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা করল আফগানিস্তান। সেই স্কোয়াডের নেতা করা হয়েছে রশিদকে। দলে আছেন ফজলহক ফারুখি, মুজিব-উর-রহমান, গুলবাদিন নইব, নভীন-উল-হকরা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গত অক্টোবরে সাদা বলের সিরিজে আফগানিস্তান দলে জায়গা পাননি ফারুখি এবং নইব। কিন্তু তাঁদের দু'জনকেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ডাকা হয়েছে। তবে মুজিবকে রাখতে গিয়ে মূল স্কোয়াডে রাখা সম্ভব হয়নি আল্লাহ গজনফরকে। আফগানিস্তানের রহস্য স্পিনারের ঠাঁই হয়েছে রিজার্ভদলে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আফগানিস্তান যথেষ্ট শক্তিশালী টিম। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। যা কি না আইসিসি টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত তাদের সর্বোচ্চ যাত্রা। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথে আফগানিস্তান হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশকে।
অস্ট্রেলিয়ার দল: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জাভিয়ার বার্টলেট, কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজেলউড, ট্র্যাভিস হেড, জশ ইংলিস (উইকেটরক্ষক), ম্যাথু কুনেম্যান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু শর্ট, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা।
আফগানিস্তান দল: রশিদ খান (অধিনায়ক), ইব্রাহিম জাদরান (সহ-অধিনায়ক), রহমানুল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), মহাম্মদ ইসহাক (উইকেটরক্ষক), সেদিকুল্লা অটল, দরবেশ রাসুলি, শহীদুল্লাহ কামাল, আজমতুল্লা ওমরজাই, গুলবদিন নাইব, মহাম্মদ নবি, নূর আহমেদ, মুজিব উর রহমান, নবীন-উল হক, ফজলুল হক, ফজলক ফারুকি।
