স্টিভ স্মিথের আচরণে 'অপমানিত' হয়েছেন বাবর আজম (Babar Azam)। সিডনি সিক্সার্সের ড্রেসিংরুমে নিজেকে গুটিয়েও রাখছেন পাকিস্তানি ব্যাটার। তার মানে এই নয় যে, বাবরের প্রতি সহানুভূতি রয়েছে বিগ ব্যাশের দলের। পাক তারকার থেকে 'পেশাদারি' আচরণ আশা করছে তারা। মাঠের সমস্যা কেন মাঠেই ফেলে এলেন না বাবর, সেই প্রশ্নও উঠছে।
ঠিক কী হয়েছিল 'সিডনি ডার্বি'তে? ব্যাটিংয়ের সময় বাবর লাগাতার ডট বল খেলছিলেন। কিন্তু ওভারের শেষ বলে তিনি এক রান নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাবরের ‘টেস্ট ব্যাটিংয়ে’ হতাশ স্মিথ রান নিতে চাননি। পরের ওভারে স্মিথ ব্যাট করতে এসে পরপর চারটি ছয় মারেন। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে সেঞ্চুরি করেন। দলও পাঁচ উইকেটে জেতে। অন্যদিকে তার পরের ওভারেই ব্যাট করতে আসেন বাবর। আর ওভারের প্রথম বলেই আউট। স্মিথ যদি আগের ওভারে রান নিতেন, তাহলে হয়তো বাবর আউট হতেন না। ফলে আউট হয়ে রেগে আগুন বাবর।
এমনকী ম্যাচের পরও খোঁচা দিতে চাননি স্টিভ। কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিয়ে বলে যান, "আমি নিশ্চিত বাবর খুব একটা খুশি নয়।" আর সত্যিই তাই। মাঠ থেকে বেরনোর সময় বাউন্ডারির দড়িতে সজোরে ব্যাট দিয়ে আঘাত করে যান। ম্যাচের পরও তার রেশ ছিল। ম্যাচের পর দলের সঙ্গে মাঠে নামেননি। অজি সংবাদমাধ্যমের খবর, সতীর্থদের ক্ষোভের সঙ্গে প্রাক্তন পাক অধিনায়ক জানিয়েছেন যে তিনি 'অপমানিত' বোধ করেছেন। ড্রেসিংরুমেও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। সিক্সার্সের কোচ বিষয়টায় হস্তক্ষেপ করেন এবং বাবরের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন।
কিন্তু বাবর 'অভিমানী' হলেও খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে না তাঁর দল। সতীর্থদের একাংশের মনে হচ্ছে, বাবরের আচরণ আসলে 'ন্যাকামি'। এটাকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এই ধরনের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তাছাড়া স্মিথ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেঞ্চুরি করেছেন, দল জিতেছে। সেটাই আসল। আধুনিক গতিশীল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত বাবরের। তার বদলে 'অভিমানী' হয়ে থাকাকে সমর্থন করছেন না অনেকেই।
