মহম্মদ ইউনুস সরকারের 'উসকানি'তে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে ব্যাপক অবনতি ঘটেছিল। টি-২০ বিশ্বকাপ বয়কট করেছিলেন লিটন দাসরা। এবার তারেক রহমানের জমানায় সেই ক্ষত মেরামত হবে কি? খুব একটা আশা দেখছে না ক্রিকেটমহল। দিনদুয়েক আগে শোনা যাচ্ছিল, ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর বাতিল হতে পারে। যদিও বিসিসিআই এখনও আশা বাঁচিয়ে রেখেছে। ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য করেছেন বোর্ডের এক সূত্র।
ইউনুস সরকারের পতনের পর ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক সম্পর্কের যে উন্নতি প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তা হয়নি। ইউনুস সরকারের আমলে ভারতের সে দেশে যাওয়ার কথা ছিল ক্রিকেট-সফর করতে। কিন্তু দু’দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের অবনতির কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে কেকেআর থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে। যার পরিণাম হিসাবে ভারতের অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপই বয়কট করে দেয় বাংলাদেশ। এর পরপরই রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে বাংলাদেশে। মনে করা হয়েছিল, পদ্মাপারে ক্ষমতায় বিএনপি আসার পর দু’দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কে পরিবর্তন ঘটবে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সে ইঙ্গিত নেই।
আগামী মাসেই বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার কথা ছিল ভারতীয় দলের। তার সূচিও ঘোষণা করে দিয়েছিল বাংলাদেশ বোর্ড। কিন্তু ওই তারিখেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার ঘোষণা করে দিয়েছে বিসিসিআই। ভারত-বাংলাদেশ সিরিজের আর তিন সপ্তাহও বাকি নেই। ওয়াকিবহাল মহলের মনে হচ্ছে, দু’দেশের সিরিজের বাস্তবোচিত সম্ভাবনা আর পড়ে নেই। আফগানিস্তান সিরিজেই দেখা যাবে ক্রিকেটারদের।
তবে এখনও বাংলাদেশ সিরিজ সরকারিভাবে বাতিল করেনি ভারতীয় বোর্ড। বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, সরকারের সঙ্গে এখনও বোর্ড কর্তারা যোগাযোগ রাখছেন। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের হাই কমিশনারের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সরকার অনুমতি দিলে তবেই শুভমান গিলরা বাংলাদেশ সফরে যাবেন। বোর্ডের ওই সূত্রের মতে, দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সম্পর্ক এখন ভালো। সরকারি অনুমতি পেলে সিরিজের জন্য সময় বের করে নেওয়া যাবে। কিন্তু নয়াদিল্লি আদৌ অনুমতি দেবে কি?
