আইপিএলে 'সেরার সেরা'। ট্রফি না জিতলেও পাঁচ-পাঁচটা ব্যক্তিগত খেতাব জিতেছে বৈভব সূর্যবংশী। ১৫ বছর বয়সেই আইপিএলে অরেঞ্জ ক্যাপ জিতেছে। তারপরই নিজের 'দাম' দ্বিগুণ করে দিল বৈভব (Vaibhav Sooryavanshi)। এখন থেকে বিজ্ঞাপন প্রতি ২ কোটি টাকা করে নেবে বিস্ময় প্রতিভা।
বিশ্ব ক্রিকেটে ইতিমধ্যে সেনসেশন বৈভব। তার কাছে যে বড় সংস্থার বিজ্ঞাপনের মুখ হওয়ার ডাক আসবে, সেটা খুব স্বাভাবিক। আপাতত বৈভবের পরিবারই তার বিজ্ঞাপনী ব্যাপারগুলো সামলায়। তার ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালসও যথেষ্ট সাহায্য করে। 'কমপ্ল্যান' বা 'রেড বুল'-এর হয়ে তাঁকে বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছে। এবার বিধ্বংসী আইপিএলের পর আরও অনেক সংস্থা তাকে বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করতে আগ্রহী।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের মতে, এবারের আইপিএল শুরু হওয়ার আগে বিজ্ঞাপনের চুক্তি করার জন্য ১ কোটি টাকা করে নিত। জানা গিয়েছে, সেটা ১.৫ থেকে ২ কোটি টাকায় পৌঁছে যেতে পারে। এর আগে 'কমপ্ল্যান' বা 'রেড বুল'-এর সঙ্গে ১ কোটিতে চুক্তি হয়েছিল। নতুন সংস্থার সঙ্গে সেটা দ্বিগুণ হয়ে যেতে পারে।
এবার কী কী পুরস্কার পেয়েছে বৈভব? ৭৭৬ রান করে অরেঞ্জ ক্যাপ পেয়েছে। যার জন্য পাচ্ছে ১০ লক্ষ টাকা। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে দামি প্লেয়ার হিসেবে হয়েছে এমভিপি। তার জন্য পেয়েছে ১৫ লক্ষ টাকা। সবচেয়ে বেশি স্ট্রাইক রেট- ২৩৭। তার জন্য পেয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। সবচেয়ে বেশি ছয়ও হাঁকিয়েছে সে। ৭২টি ছক্কা মেরে ১০ লক্ষ টাকা পেয়েছে। এখানেই শেষ নয়। টুর্নামেন্টের সেরা উঠতি প্রতিভা, অর্থাৎ ইমার্জিং প্লেয়ারও হয়েছে সে। যার জন্য পেয়েছে ১০ লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে ৪৫ লক্ষ টাকা। এর সঙ্গে একটা গাড়ি। চারটে ম্যাচ সেরার পুরস্কার। প্রতিটি থেকে ১ লক্ষ টাকা। ম্যাচ প্রতি ৭.৫ লক্ষ টাকা করে ফিও পেয়েছে বৈভব। অর্থাৎ, ১৬টি ম্যাচ খেলার সুবাদে ম্যাচ ফি বাবদ তার আয় হয়েছে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা। একাধিকবার ইলেকট্রিক স্ট্রাইকার অফ দ্য ম্যাচ, মোস্ট সিক্সেস অফ দ্য ম্যাচ এবং অন্যান্য পুরস্কারও জিতেছে বৈভব। সেখান থেকেও কয়েক লক্ষ টাকা এসেছে। সব মিলিয়ে প্রায় দু’কোটি টাকার কাছাকাছি পেয়েছে। এর সঙ্গে তাকে রাজস্থান কিনেছিল ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে।
