মদ্যপান করে গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার ডেভিড ওয়ার্নার। একাধিকবার নিঃশ্বাস পরীক্ষা করা হয়। পাসপোর্ট কেড়ে নেওয়ার মতো শাস্তিও হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার পুলিশের মতে, সেই দেশে যতটা মদ খেয়ে গাড়ি চালানো যায়, সেই মাপকাঠির দ্বিগুণ মদ্যপান করেছিলেন। ঠিক কতটা মদ খেয়েছিলেন ওয়ার্নার? সেই নিয়ে মুখ খুলেছেন অজি ক্রিকেটার।
রবিবার অর্থাৎ ‘ইস্টার সানডে’র দিন রাতের দিকে সিডনিতে পুলিশ তাঁর গাড়ি থামিয়ে নিঃশ্বাস পরীক্ষা করে। তারপরই তাঁকে সারে হিলস থানায় নিয়ে যাওয়া যায়। সেখানে আরও একবার তাঁর নিঃশ্বাস পরীক্ষা করা হয়। এই মুহূর্তে পাকিস্তান সুপার লিগে খেলছেন ওয়ার্নার। সেখানে করাচির অধিনায়ক ৩৯ বছর বয়সি অজি ক্রিকেটার। করাচির দুই ম্যাচের মধ্যে প্রায় ৫ দিনের বিরতি আছে। তাই ‘ছুটি’ কাটাতে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যান তিনি। আর সেখানে গিয়েই বিপত্তি।
পুলিশকে ওয়ার্নার জানিয়েছেন, এক বন্ধুর সঙ্গে তিনি মদ্যপান করছিলেন। তবে অজি ক্রিকেটারের দাবি, তিনি মাত্র তিন গ্লাস ওয়াইন খেয়েছিলেন। তারপর গাড়ি চালিয়ে মারৌব্রায় নিজের বাড়িতে ফেরেন। সেই সময়ই পুলিশ তাঁর নিঃশ্বাস পরীক্ষা করে। জানা গিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ায় মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর যে আইনি মাত্রা, তার প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণ নেশাগ্রস্ত ছিলেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়ায় এটা ‘মিড রেঞ্জ ড্রিংক ও ড্রাইভিং’। ওয়ার্নারের লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলছে। আপাতত তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে।
যদিও করাচি কিংসের হয়ে ম্যাচ খেলতে অসুবিধা হবে না ওয়ার্নারের। ৯ এপ্রিল করাচির ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়ার আইনে ‘মিড রেঞ্জ’-এ সাধারণত অন্য দেশে যেতে বাধা দেওয়া হয় না। কিংবা পাসপোর্ট জমা নেওয়া হয় না। জামিনের জন্য কোনও বিশেষ শর্ত দেওয়া হয়নি। তাই পাকিস্তানে গিয়ে ফের ম্যাচ খেলতে কোনও অসুবিধা হবে না। ওয়ার্নারকে ৯ মে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। অর্থাৎ পিএসএলে খেলতে পারবেন ওয়ার্নার।
