চারদিকে বৈভব সূর্যবংশীর নামে জয়ধ্বনি। সব নজর তার দিকেই। কিন্তু এর মধ্যে বিধ্বংসী অথচ পরিপক্ব ইনিংস খেলে গেলেন ঈশান কিষান। বৈভব অবশ্য নিজের ছন্দেই চার-ছক্কা হাঁকায়। তবে দলীপ ট্রফির ফাইনালে প্রথম দিনে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরিতে নজর কাড়লেন অধিনায়ক ঈশান। টি-টোয়েন্টি দলে সুপারস্টার। এবার টেস্ট দলে ঢোকার জন্যও গম্ভীর-আগরকরদের উপর চাপ বাড়ালেন ঈশান।
চেন্নাইয়ের চিপক স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পূর্বাঞ্চল। ওপেনে একদিকে বৈভব, অন্যদিকে বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দু'জনের জুটিতে ১০০ রান তুলে ফেলে বৈভব। এর মধ্যে মহম্মদ সিরাজের বলে চার-ছক্কা হাঁকায় ১৫ বছর বয়সি ব্যাটার। মাত্র ৩৭ বলে ৪৪ রানে আউট হয়। ৫টি চারের পাশাপাশি ছিল ১টি ছক্কা। অন্যদিকে অভিমন্যু চিরাচরিত ঢংয়ে ৮৬ বলে ৭২ রান করে যান। ঝাড়খণ্ডের ২১ বছর বয়সি ব্যাটার ৮৫ রান করেন। তবে রান পাননি বাংলার সুদীপ কুমার ঘরামি।
ঈশানকে অবশ্য টলানো যায়নি। প্রথম দিনের শেষে ১৩৫ বলে ১১১ রান করে অপরাজিত আছেন। ব্যাট থেকে এসেছে ১৪টি চার ও একটি ছয়। অতিসাবধানী ক্রিকেট খেলে রানের গতি কমাননি। আবার টি-টোয়েন্টির মতো বেপরোয়া ভাবে ব্যাট চালাননি। মাথা ঠান্ডা রেখে সিরাজদের সামলেছেন। খারাপ বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়েছেন। দিনের শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৮৫ রান করেছে পূর্বাঞ্চল। ঈশানের সঙ্গে ৬৩ রানে অপরাজিত আছেন কুমার কুশাগ্র।
ভারতের হয়ে মাত্র দু'টো টেস্ট খেলেছেন ঈশান। সেটাও বছর তিনেক আগে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে মাত্র ৭৮ রান করেন। আবার কি টেস্ট দলে জায়গা করে নিতে পারেন ঈশান? দলীপ ফাইনালে সেঞ্চুরিতে কিন্তু কোচ গৌতম গম্ভীর ও নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরের উপর চাপ বাড়ালেন। আগরকর আবার এদিন স্টেডিয়ামে উপস্থিতও ছিলেন। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন।
