সদ্য গৌতম গম্ভীরের অধীনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে ভারত। যেটুকু যা সমালোচনা চলছিল, তা উড়ে দিয়েছেন 'গুরু'গম্ভীর। ২০২৭-র ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁর থাকা কার্যত নিশ্চিত। সেই গম্ভীরই কি না মহেন্দ্র সিং ধোনিকে ভারতের কোচ হিসেবে দেখতে চান! কলকাতায় ট্রেলব্লেজার্স ৪.০ অনুষ্ঠানে এসে গম্ভীর পুরো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন মাহির উদ্দেশ্য। কেন? তাহলে একমাত্র ধোনি বুঝতে পারবেন গম্ভীরের কাজটা কত কঠিন।
এই রহস্য উদঘাটন করতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে এক সপ্তাহ আগে। বিশ্বকাপ জয়ের পর গম্ভীরকে নিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেন ধোনি। মহেন্দ্র সিং ধোনি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করছেন। তার উত্তর দিচ্ছেন গৌতম গম্ভীর। এরকমও হয়? একদিন আগেও এই দৃশ্যটা অবিশ্বাস্য ছিল। কিন্তু ফের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় মিলিয়ে দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটের দুই ভিন্নমুখী স্রোতকে। সেখানে ধোনি লেখেন, 'কোচ সাহেব, এভাবেই হাসিখুশি থাকো। তোমার মুখে হাসি দেখতে ভালো লাগে। ইনটেনসিটির সঙ্গে হাসি একেবারেই কিলার কম্বো। দারুণ কাজ। সবাই উপভোগ কর।'
অবশেষে কলকাতায় বসে তার 'যোগ্য' জবাব দিলেন গম্ভীর। মাহির সেই ভাইরাল পোস্টের উত্তরে তিনি বলেন, "আমি খুব খুশি যে ধোনি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে এসেছিল। তারপর ও আমাকে হাসতে বলে। আমি এখন বলি, একদিন ও আমার জায়গায় থাকবে, আর আমি ওকে একই কথা বলব। আশা করব, তখন ও ডাগআউটে বসে হাসবে।" অর্থাৎ ভারতীয় দলের কাজটা কত কঠিন, সেটা যেন মনে করিয়ে দিলেন গম্ভীর। ধোনি যদি কোনওদিন ভারতের কোচ হন, তাহলে হাড়ে-হাড়ে বুঝবেন কেন ডাগআউটে বসে 'হাসা' যায় না।
তবে এই নিয়ে গম্ভীর আগেই উত্তর দিয়েছিলেন। ওই পোস্টের উত্তরে ভারতের কোচ লিখেছিলেন, ‘হাসার তো এবার কারণ পাওয়া গেল। তোমাকে দেখে ভালো লাগল।’ পরেও গম্ভীর বলেন, "ভারতীয় দলের কোচ হওয়া মানে তোমার উপর প্রত্যাশার চাপ থাকবে। হারের কোনও জায়গা নেই। বিশ্বকাপের মতো জায়গায় হাসিঠাট্টার জায়গা নেই। যদি সেমিফাইনালে হেরে যেতাম, তাহলে ফলাফল তো শূন্য হত। ওই জন্য বলি, খেলাধুলো খুব কঠিন জায়গা।”
