দুবাইয়ে ফের মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। সেখানে ফের দেখা গেল সেই হ্যান্ডশেক বিতর্ক। শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মহিলা এশিয়া কাপের ম্যাচে টসের আগে ও পরে একে অপরের সঙ্গে হাত মেলালেন না ভারতীয় অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর এবং পাকিস্তানের অধিনায়ক ফতিমা সানা। তবে ম্যাচে দাপট অব্যাহত রাখল ভারতীয় বোলাররা।
ফলে ভারত-পাক ক্রিকেটে হাত না মেলানোর সেই পরম্পরা প্রায় এক বছর পূর্ণ করতে চলল। শুরু হয়েছিল গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর, এই দুবাই স্টেডিয়ামেই এশিয়া কাপের ম্যাচে। পহেলগাঁও হামলার পরের সেই ম্যাচে পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘার সঙ্গে হাত মেলাননি সূর্যকুমার যাদব। ম্যাচ জিতে ভারতীয় দল সেই জয় উৎসর্গ করেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। এর পরেও এশিয়া কাপে দু'দল আরও দু'বার মুখোমুখি হয়েছিল। দু'বারই ম্যাচের আগে-পরে দেখা যায়নি হাত মেলানোর দৃশ্য। এমনকী এশিয়া কাপের ট্রফি নেওয়ার সময় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির কাছেও এগিয়ে যায়নি ভারতীয় দল।
পরের মাসে কলম্বোয় মহিলাদের বিশ্বকাপেও একই রাস্তায় হেঁটেছিল ভারতীয় মহিলা দল। যুব এশিয়া কাপেও একই ছবি দেখা গিয়েছিল। পাকিস্তান ‘এ’ দলের অধিনায়কের সঙ্গে হ্যান্ডশেকের পথে হাঁটেননি ভারত ‘এ’ দলের অধিনায়ক জিতেশ শর্মা। এ দিনের ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। এই প্রতিযোগিতায় এখনও পর্যন্ত এমন সিদ্ধান্ত নেয়নি তারা।
পাকিস্তানের অধিনায়ক ফতিমা বলেন, "আমরা প্রথমে ব্যাট করে যতটা সম্ভব বড় রান তুলতে চাই। আমাদের বোলিং বিভাগ ভালো। তাই ভারতকে কম রানের মধ্যে আটকে রাখার লক্ষ্য থাকবে।" অন্যদিকে, নিজের ১৫০তম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অধিনায়ক হিসাবে মাঠে নামলেন হরমনপ্রীত। মাইলফলকের ম্যাচে তাঁর আস্থা দলের বোলিং বিভাগে। ভারতীয় অধিনায়কের কথায়, "এই প্রতিযোগিতায় আমাদের বোলিং খুব ভালো হয়েছে। প্রথমে বল করার সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই।" বলাই বাহুল্য যে, সেই সুযোগ দুর্দান্ত ভাবে কাজে লাগিয়েছে ভারতের প্রমীলা বাহিনী। পাকিস্তান অলআউট হয় মাত্র ৫৫ রানে। স্পিনারদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না পাক দল। শ্রী চরণী ও প্রেমা রাওয়াত নেন ৩টি করে উইকেট। দীপ্তি শর্মার শিকার দু'টি উইকেট।
