বাংলাদেশ: ১৩৬/৮ (জৌরিয়া ফিরদৌস ৩৩, নিগার সুলতানা ৩২, রাধা যাদব ২৮/৩)
ভারত: ১৩৯/৫ (শেফালি ৫৩, জেমাইমা ২৬, ঋতু মণি ২৩/২)
ভারত ৫ উইকেটে জয়ী
টানা দুই জয়ের পর হারের ধাক্কায় দেখা দিয়েছিল অশনি সংকেত। কিন্তু বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফানালে পৌঁছনোর আশা জিইয়ে রাখলেন হরমনপ্রীতরা। মাত্র ১৩৭ রানের টার্গেটে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। কিন্তু একটা সময়ে বাংলাদেশ কিন্তু চেপে ধরেছিল। যদিও হরমনপ্রীত ও রডরিগেজ ঠান্ডা মাথায় চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হন সহজেই।
এদিন টসে জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু শুরুতেই দিলারা আখতারকে ফিরিয়ে দেন রেনুকা সিং। প্রাথমিক ধাক্কা অবশ্য সামলাতে পেরেছিলেন জৌরিয়া ফিরদৌস (৩৩) ও শোভনা মোস্তারি (২২)। পরে নিগারা সুলতানাও (৩২) করে যান। কিন্তু ১০৬/৪ থেকে ১৩৪/৮ হয়ে শেষপর্যন্ত নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ১৩৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি পদ্মাপাড়ের দল। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল রাধা যাদব (২৮/৩)।
ভারতের শুরুটা ছিল জমকালো। তবে শেফালি বর্মা (৫৩) জ্বললেও স্মৃতি মন্দানা ফিরে যান ৬ বলে ৮ করে। কিন্তু মাত্র ৩ ওভারেই উঠে গিয়েছিল ৩১। ইয়াস্তিকা ভাটিয়াকে সঙ্গে নিয়ে শেফালি এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তাঁকে ফিরতে হল স্টাম্পড হয়ে। ৮টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কায় ভরা ইনিংসটা ছিল অনবদ্য। কিন্তু তিনি ফিরতেই খেলায় ফিরতে থাকে বাংলাদেশ। রান উঠছিল না। উইকেট পড়ছিল। রিচা ঘোষ (১০) ফেরার পর বাংলাদেশ দুর্দান্ত লড়াই শুরু করে। সেই সময় মনে হচ্ছিল, অঘটন ঘটার সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও একেবারে নেই তা নয়।
কিন্তু জেমাইমা সঞ্জিদার তিনটি বলে একটি ছক্কা ও একটি চার মারার পরেই পরিস্থিতি সহজ হয়ে যায়। যদিও জেমাইমা রডরিগেজ (২৬) পরপর দু'টি বাউন্ডারি মারার পর আচমকাই কেন উইকেট ছুড়ে দিয়ে এলেন তা বোধগম্য হয়নি। তবে তাতে খেলার ফলাফলে কোনও পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। বাংলাদেশও বুঝে গিয়েছিল হেরেই মাঠ ছাড়তে হবে তাদের।
