চোট-আঘাতে জেরবার অনেক ফ্র্যাঞ্চাইজি। তার উপর অনেক বিদেশি প্লেয়ার আবার 'মর্জিমতো' আইপিএল (IPL 2026) খেলবেন। কেউ বা শেষ মুহূর্তে নাম সরিয়ে নিচ্ছেন। তাঁদের উপর বেজায় খাপ্পা সুনীল গাভাসকর। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটারের সাফ বক্তব্য, এঁদের বিরুদ্ধে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কড়া অবস্থান নেওয়া উচিত। ভারতের আতিথ্যের কেউ যেন সুবিধা না নেয়। এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, মিচেল স্টার্ককে এখনও খেলার ছাড়পত্র দেয়নি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
অনেকে আহত এটা যেমন ঠিক। তেমনই ব্যক্তিগত কারণে অনেকে 'মর্জিমতো' খেলতে আসবেন বলে ঠিক করছেন। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের পেসাররা আইপিএলের মাঝপথেই বিশ্রাম চাইছেন। নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে সব ম্যাচ খেলতে তাঁরা নারাজ। মিচেল স্টার্কও আইপিএলের শুরু থেকে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলবেন না। অস্ট্রেলিয়া তাঁকে 'নো অবজেকশন সার্টিফিকেট' দিতে রাজি নয়। অস্ট্রেলিয়ার আরেক তারকা জশ হ্যাজেলউড পুরোপুরি সুস্থ। কিন্তু তাঁকেও পুরো মরশুম খেলতে দিতে নারাজ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের লকি ফার্গুসন আবার বাবা হবেন বলে পরিবারকে সময় দিতে চান।
কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমকে ছাড় দেওয়া যেতেই পারে। কিন্তু গাভাসকরের বক্তব্য, "ব্যক্তিগত কারণের জন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো অনেক ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিচ্ছে। সেই প্লেয়ারদের বলছি, এটা ভারতীয় ভদ্রতা। অনেকে এটাকে ভুলভাবে নিয়ে সুবিধা নিচ্ছে।" তাঁর সংযোজন, "আমরা শুনছি, অনেক প্লেয়ার বিভিন্ন কারণে খেলতে পারবে না। কোনও প্লেয়ারই আগে থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে কিছু জানায়নি। সব ফ্র্যাঞ্চাইজি নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দল তৈরি করেছিল। প্লেয়ারদের ইচ্ছামাফিক তো আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াই করা যায় না।"
এই বিষয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছেন আকাশ চোপড়া। তিনি মনে করছেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলির উচিত আরও ভালোভাবে ক্রিকেটারদের ম্যানেজ করা। ফার্গুসনকে ২ কোটি টাকায় কিনেছে পাঞ্জাব। আকাশের বক্তব্য, “তোমাকে ১৪ ম্যাচের জন্য চুক্তিভুক্ত করা হয়। ৭ ম্যাচ পর চলে যাচ্ছ মানে ফ্র্যাঞ্চাইজি বিপদে পড়ছে।”
