জেলবন্দি ইমরানের খানের সুস্থতার প্রার্থনায় গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। দুর্নীতির অভিযোগে প্রায় তিনবছর ধরে জেলে বন্দি পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সত্যিই কি দুর্নীতি করেছেন ইমরান? একেবারেই মনে করেন না প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ইমরানের সতীর্থ জাভেদ মিয়াঁদাদ। 'কাপ্তানে'র মুক্তি চেয়ে হাউ হাউ করে কাঁদতে থাকেন মিয়াঁদাদ। অন্যদিকে ইমরানের সঠিক চিকিৎসার দাবিতে সরব অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ফের পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে চিঠি লেখেন ২১ জন প্রাক্তন অধিনায়ক। এর মধ্যে রয়েছেন ভারতের দুই ক্রিকেট কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর ও কপিল দেব। সম্প্রতি ইমরানের দুই পুত্রের সাক্ষাৎকার নিয়ে বিতর্ক হয়। তারপরই অন্য একটি প্রশ্নোত্তর পর্বে মিয়াঁদাদ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।
কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, "কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলুক, ইমরান কি পাকিস্তানকে খেয়ে ফেলবেন? আমরা সবাই পাকিস্তানি। আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করা উচিত। বিষয়টা অযথা দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে, যা দেশের জন্য ভালো নয়। ইমরান জাতীয় বীর। আমি সবকিছু বলার মতো অবস্থায় নেই। তবে এটুকু বলতে পারি- তিনি আমার দীর্ঘদিনের সতীর্থ। আমাদের মধ্যে কখনও কোনো শত্রুতা বা ঝগড়া ছিল না। আমরা একসঙ্গে খেলেছি, সময় কাটিয়েছি। তিনি চোর নন, সৎ মানুষ। আমার মনে হয় না, উনি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত।"
অন্যদিকে অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও লিখেছেন, 'আমি সব প্রাক্তন অধিনায়কের পাশে। আশা করি, পাকিস্তানের সর্বোচ্চ আদালত তাঁর সুচিকিৎসা সুনিশ্চিত করবে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুবিধা দেবে। প্রাক্তন রাষ্ট্রনেতা ও খেলোয়াড় হিসেবে ইমরান খানের সঙ্গে যেন পূর্ণ মর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হয়।' সম্প্রতি ইমরানের দুই সন্তানের সাংবাদিক সম্মেলন নিয়ে বিতর্ক হয়। পাকিস্তান দল হুমকি দেয়, ইমরানকে নিয়ে সাক্ষাৎকার সম্প্রচার হলে তারা ম্যাচে নামবে না। এরকম 'আজব' হুমকির পর পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত অজি ক্রিকেটার উসমান খোয়াজা সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, 'ওরা নিশ্চয়ই মজা করছে।'
