shono
Advertisement
CAB Election

মানা হচ্ছে না লোধা আইন! জরুরি সভার আগে সিএবির চিঠির শর্তে রোষ ময়দানে

আগামী ২০ জুলাই লোধা আইনে সিএবি-র বিদায়ী যুগ্ম-সচিব মদন ঘোষের জায়গায় নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। বিগত ১২ জুলাই যার মনোনয়ন জমা করার শেষ দিন ছিল।
Published By: Subhajit MandalPosted: 03:12 PM Jul 15, 2026Updated: 03:12 PM Jul 15, 2026

সিএবির জরুরিভিত্তিক বৈঠক ঘিরে সমস্ত অনুমোদিত সংস্থাকে পাঠানো এক চিঠি। যার প্রেরক- স্বয়ং বঙ্গ ক্রিকেট সংস্থা। আর সেই চিঠিকে ঘিরে তুলকালাম পড়ে গিয়েছে স্থানীয় ক্রিকেটমহলে। কেন?

Advertisement

এক্ষেত্রে লিখে রাখা যাক, আগামী ২০ জুলাই লোধা আইনে সিএবি-র বিদায়ী যুগ্ম-সচিব মদন ঘোষের জায়গায় নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। বিগত ১২ জুলাই যার মনোনয়ন জমা করার শেষ দিন ছিল। কিন্তু সিএবি-র শাসক বা বিরোধী- কোনও পক্ষের তরফ থেকেই যুগ্ম সচিব পদে মনোনয়ন জমা পড়েনি। যার ফলে পিছিয়ে যায় সিএবি-র যুগ্ম-সচিব পদে নির্বাচন। আসলে, মনোনয়ন জমা করার ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ গত ১১ জুলাই পনেরোটা জেলা ক্রীড়া সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্তা এবং দশটা ক্লাবের পক্ষ থেকে সিএবিতে চিঠি আসে যে, সিএবি বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করার ক্ষেত্রে লোধা আইন মানা হচ্ছে না। লোধা আইন অনুযায়ী, কোনও পদাধিকারীর বয়স সত্তর হয়ে গেলে কিংবা কারও ক্রিকেট প্রশাসনে ন'বছর হয়ে গেলে, তাঁর পক্ষে আর পদে থাকা সম্ভব নয়। ক্রিকেট প্রশাসন ছেড়ে তখন সেই সংশ্লিষ্ট কর্তাকে চলে যেতে হবে। যে আইন প্রতিনিধিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সিএবিরই 'রুল' ৮ (৬)-এ বলা রয়েছে, যে সমস্ত ক্রিকেট কর্তারা পদাধিকারীর যোগ্যতাপূরণে ব্যর্থ, তাঁরা নিজ-নিজ অনুমোদিত সংস্থার প্রতিনিধিও হতে পারবেন না। কিন্তু দেখা গিয়েছে, সেই আইন মানা হচ্ছে না সিএবিতে। সংস্থায় এমন অনেকেই প্রতিনিধিত্ব করছেন, যাঁদের বয়স সত্তরের উপর। কিংবা ক্রিকেট প্রশাসনে ন'বছর কাটিয়ে ফেলেছেন। অর্থাৎ, লোধা আইনে 'অযোগ্য'।

যার পর যুগ্ম-সচিব পদে নির্বাচন স্থগিত করে দিতে বাধ্য হয় সিএবি। অর্থাৎ, নিজেরাই নির্বাচন ডেকে তা শেষ পর্যন্ত করাতে পারেনি সৌরভগঙ্গোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন বঙ্গ ক্রিকেট প্রশাসন। নির্বাচন স্থগিতের দিনই সিএবির সমস্ত অনুমোদিত সদস্যদের একটা চিঠি পাঠানো হয়। বলা হয়, বুধবার জরুরিভিত্তিক বৈঠক। যেখানে জানানো হবে, কেন যুগ্ম সচিব পদে মনোনয়ন জমা করা হয়নি।

মুশকিল একটাই। সিএবি প্রেরিত সেই চিঠিতে লেখা রয়েছে, গত ১২ জুলাইয়ের আগে যে সমস্ত অনুমোদিত সংস্থা নিজেদের প্রতিনিধিদের নাম-ধাম জমা করেছিল, তারা অনায়াসে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারবে। কিন্তু যাঁরা করেনি, তাঁদের 'অথরাইজেশন লেটার' নিয়ে বৈঠকে ঢুকতে হবে। এবং এখানেই প্রশ্ন। বলা হচ্ছে, যেখানে আস্ত বিশেষ সাধারণ সভাই স্থগিত করে দিতে হয়েছে, তা হলে সেই সভার প্রাক্কালে কারা প্রতিনিধিদের নাম জমা করেছিল, আর কারা করেনি, তাতে কী আসে-যায়? এটা কোন তুঘলকি আইন? বরং উত্তেজিত ভাবে বলা হচ্ছে, সিএবি বরং খোলসা করে বলুক, বৈঠকে থাকতে পারবেন কারা? যে সমস্ত ক্রিকেট কর্তারা লোধা আইনে 'বাতিল' হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা বৈঠকে আদৌ থাকতে পারেন তো নিজ সংস্থার প্রতিনিধি হয়ে? কারণ, তাঁদের প্রতিনিধিত্ব নিয়েই তো কড়া প্রশ্ন উঠেছে, যে কারণে স্থগিত করে দিতে হয়েছে নির্বাচন। তা হলে তাঁরাই আবার সিএবির জরুরিভিত্তিক বৈঠকে থাকবেন কী করে?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement