ভারত ২৮৪/৭ (রাহুল ১১২*, শুভমান ৫৬, ক্লার্ক ৩/৫৬)
নিউজিল্যান্ড ২৮৬/৩ (মিচেল ১৩১*, ইয়ং ৮৭)
সাত উইকেটে জয়ী নিউজিল্যান্ড
সেঞ্চুরির পালটা সেঞ্চুরি। রাজকোটের পিচে ভারতীয় ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে জ্বলে উঠলেন আইপিএলে উপেক্ষিত ড্যারিল মিচেল। শতরান হাঁকিয়ে ভারতের থাবা থেকে জয় ছিনিয়ে নিলেন। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল নিউজিল্যান্ড। আগামী রবিবারের ম্যাচে সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। বুধবার সেঞ্চুরি করলেও জলে গেল কে এল রাহুলের দুরন্ত পারফরম্যান্স।
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এদিন টস হারেন ভারত অধিনায়ক শুভমান গিল। প্রথমে ব্যাট করতে নেমেই শুরু হয় ভারতীয় ব্যাটারদের দুর্দশা। রাজকোটের উইকেট সচরাচর ব্যাটিং উইকেট বলেই পরিচিত। একেবারে পাটা উইকেট বলতে যা বোঝায়, এখানকার উইকেট তেমনই। কিন্তু বুধবার দেখা গেল অন্য ছবি। ব্যাটারদের ‘স্বর্গ’ এই পিচ অদ্ভুত আচরণ করল। সেখানে বল উঁচু-নিচু তো হলই, একই সঙ্গে ব্যাটে পৌঁছতেও কিছুটা সময় নিল। প্রথম উইকেটে গিলের সঙ্গে রোহিত শর্মা ৭০ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু ২৪ রানে আউট হয়ে যান হিটম্যান।
বুধবারের রাজকোটে মাত্র ১১৮ রানে চার উইকেট হারিয়ে ভারত যখন ধুঁকছে, সেই সময় মাঠে নামেন ভারতের নতুন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’। সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে, নটআউট থেকে ভারতকে সম্মানজনক স্কোরে পৌঁছে দিলেন রাহুল। কিন্তু বিরাট কোহলি (২৩), রবীন্দ্র জাদেজা (২৭), নীতীশ রেড্ডি (২০) কেউই রান পাননি। একমাত্র গিলের ব্যাট থেকে আসে হাফসেঞ্চুরি (৫৬)। ২৮৪ রানে শেষ হয় ভারতের ইনিংস।
অপেক্ষাকৃত সহজ টার্গেট ছিল কিউয়িদের জন্য। সঙ্গে আশীর্বাদ হয়ে নেমে আসে শিশির। তা সত্ত্বেও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পেরে তাড়াতাড়ি আউট হয়ে যান দুই কিউয়ি ওপেনার ডেভন কনওয়ে (১৬) এবং হেনরি নিকোলস (১০)। তারপর মিচেলের সঙ্গে ১৬২ রানের পার্টনারশিপ গড়েন উইল ইয়ং (৮৭)। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস সাজান আইপিএলে অবিক্রিত থেকে যাওয়া মিচেল। ৯টি বাউন্ডারির সঙ্গে দু'টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভালো বোলিং করলেও উইকেট পাননি মহম্মদ সিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন হর্ষিত রানা, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং কুলদীপ যাদব।
