পাকিস্তান আছে পাকিস্তানেই। চেনা হাস্যকর ফিল্ডিং অব্যাহত। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ লজ্জার নজিরও গড়ে ফেলেছে। আর মাত্র আড়াই দিনেই প্রথম টেস্ট হেরে গিয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৪০৯ রানে হেরে বাবর আজম হীন পাকিস্তান।
লিডসে টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় জো রুটের ইংল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে ১৭১ রানে অলআউট হয় সলমন আলি আঘার পাক বাহিনী। সর্বোচ্চ রান আবদুল্লা শফিকের (৬১)। ওলি রবার্টসন ও জশ টাং ৫টি করে উইকেট নেন। জবাবে ইংল্যান্ড ৪০৯ রান করে। হাফসেঞ্চুরি করেন জর্ডন কক্স (৭৩), জো রুট (৬৬), হ্যারি ব্রুক (৯১) ও ড্যান লরেন্স (৫১)। আলি উসমান ৫ উইকেট পান। ২৩৮ রানে পিছিয়ে থেকে মাত্র ১৩৫ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের যত কারিকুরি। মহম্মদ রিজওয়ান কোনও ক্রমে ৪১ রান করেন। পাক বাহিনী ইনিংস ও ১০৩ রানে হারে।
শুধু টেস্ট হার নয়, পাকিস্তানের সঙ্গী হল লজ্জার রেকর্ডও। যার জন্য দায়ী তাদের ওপেনাররা। দু'বারই পাক ওপেনিং জুটি শূন্য রান করেছে। প্রথম ইনিংসে আজান আওয়াইস ও দ্বিতীয় ইনিংসে ইমাম উল হক রানের খাতা খুলতে পারেননি। টেস্টের ইতিহাসে উভয় ইনিংসে পাকিস্তানই সবচেয়ে বেশিবার ওপেনিং জুটিতে শূন্য রান করেছে (৭)। এখানেই শেষ নয়। ২০১০-এ শেষবার পাকিস্তানের ওপেনিং জুটিতে ৫০-র বেশি রান উঠেছিল। সলমন বাট ও ইমরান ফারহাত এই কাজ করেছিলেন। তারপর ১৬ বছর আর কোনও পাক ওপেনিং জুটিতে ৫০-র বেশি রান ওঠেনি।
আর শুধু ব্যাটিং নয়। পাকিস্তানের ফিল্ডিংয়ের অবস্থাও তথৈবচ। ইংল্যান্ডের ইনিংসের সময় ড্যান লরেন্সের পায়ে একটি বল লাগে। উইকেটকিপার রিজওয়ান ও স্লিপে সলমন মিলে এলবিডব্লুর আবেদন করেন। কিন্তু কেউ খেয়ালই করেননি, লরেন্স ক্রিজ ছেড়ে অনেকটা বেরিয়ে এসেছিলেন। সলমন হাতে বল পেয়েও উইকেটে থ্রো করেননি। এলবিডব্লুর আবেদনে ব্যস্ত ছিলেন। যতক্ষণে বোধ এল, ততক্ষণে লরেন্স ফিরে এসেছেন। সলমন বল ছুড়লেন ঠিকই, কিন্তু সেটা গিয়ে লাগে সোজা রিজওয়ানের পিছনে। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল।
