আচমকাই বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। তড়িঘড়ি বিশ্বকাপের জন্য দলও ঘোষণা করেছে তারা। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল স্কটল্যান্ড বোর্ড। বিশ্বকাপ নাটক ঘিরে প্রথমবার মুখ খুলে স্কটল্যান্ড বোর্ডের তরফ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রতি তারা সমব্যথী। এভাবে বিশ্বকাপ খেলতে চায়নি স্কটল্যান্ড। কোনও দেশই এভাবে খেলতে চায় না।
দীর্ঘ মতান্তর, ডামাডোল শেষে বাংলাদেশ জানিয়ে দেয়, তারা ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলবে না। অন্যদিকে আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, বিশ্বকাপের ভেন্যু বা সূচি পরিবর্তন করা হবে না। ফলে এবারের মতো টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে খেলতে দেখা যাবে না। তারপরেই আইসিসির তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়, লিটন দাসদের বিকল্প হিসাবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই সিদ্ধান্তের দিনতিনেকের মধ্যেই বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে স্কটল্যান্ড।
স্কটিশ বোর্ডের প্রধান ট্রুডি লিন্ডব্লেড বলেন, "বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের প্রতি আমাদের সমবেদনা রয়েছে। এভাবে আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাইনি। যোগ্যতা অর্জনের জন্য আলাদা অধ্যায় রয়েছে। কিন্তু আমাদের যেভাবে বিশ্বকাপ খেলতে ডাকা হয়েছে, সেইভাবে কোনও দেশই বিশ্বকাপ খেলতে চায় না। তবে আমরা বুঝতে পারছি একটা অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মনের অবস্থাও আমরা অনুধাবন করতে পারছি।"
পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনার মতো বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেও প্রতিপক্ষদের কড়া চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে ভুলছেন না ট্রুডি। তাঁর কথায়, স্কটল্যান্ড বিশ্বর্যাঙ্কিংয়ে ১৪ নম্বরে রয়েছে। সারাবছর ধরে ক্রিকেট খেলে স্কটল্যান্ড। সরাসরি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করতে না পারায় স্কটল্যান্ড যথেষ্ট সমালোচিত হয়েছিল। তবে সেসবকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ট্রুডি। উল্লেখ্য, বাছাই পর্বে স্কটল্যান্ড অনেকখানি পিছিয়ে ছিল। জার্সি, হংকং, পাপুয়া নিউগিনি, বারমুডা-এই দলগুলি এগিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের শিকে ছেঁড়ে স্কটল্যান্ডের কপালে। শেষ তিন টি-২০ বিশ্বকাপে ভালো পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসাবেই এই সুযোগ পেল স্কটিশরা।
