shono
Advertisement
Sourav Ganguly

'সিএবি'তে দুর্নীতি নেই', অভিষেকের চিঠির পরেই ক্রীড়ামন্ত্রীকে 'আগ বাড়িয়ে' বলে এলেন সৌরভ

ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ'কে চিঠি দিয়েছিলেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি থামাতে আবেদন জানান। যদিও আলাদা করে কোনও সংস্থার নাম উল্লেখ করেননি তিনি।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 06:09 PM Jun 17, 2026Updated: 10:28 PM Jun 17, 2026

সিএবি'তে চলছে 'চিঠির রাজনীতি'। সম্প্রতি বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ'কে চিঠি দিয়েছিলেন সিএবির প্রাক্তন সভাপতি অভিষেক ডালমিয়া। ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি থামাতে আবেদন জানান। যদিও আলাদা করে কোনও সংস্থার নাম উল্লেখ করেননি তিনি। এবার সেই চিঠির পালটা পত্রাঘাত করল সিএবি। বঙ্গ ক্রীড়া সংস্থার দাবি, যাবতীয় নিয়মকানুন মেনেই কাজ করেছে তারা। সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) নিজে গিয়ে এই চিঠি তুলে দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রীর হাতে। প্রশ্ন উঠছে, এই পদক্ষেপে কি সিএবির 'দুর্নীতি'ই প্রকাশ্যে চলে এল?

Advertisement

বুধবার ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে সিএবি। দীর্ঘ সেই চিঠির সারকথা, সিএবির অন্দরে যাবতীয় কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। বাংলার ক্রিকেটের স্বার্থেই কাজ করে সংস্থা। চিঠিতে আরও বলা হয়, অভিষেকের পত্রবাণের জেরেই এই চিঠি পাঠাচ্ছ সিএবি।

পত্রযুদ্ধের শুরুটা হয়েছিল অভিষেক ডালমিয়ার হাত ধরে। ক্রীড়ামন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে তিনি বলেন, স্বনামধন্য এক ক্রীড়া সংস্থায় অর্থের বিনিময়ে খেলার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে থ্রেট কালচারেরও উল্লেখ করেন তিনি। কিন্তু অভিষেক একবারের জন্যও সিএবির নাম করেননি। যদিও ময়দানের অনেকে মনে করছেন, নাম না করলেও অভিষেকের নিশানায় সিএববি'ই। এই চিঠির প্রেক্ষিতে মুখ খুলেছেন ক্রীড়ামন্ত্রীও। ভবিষ্যতে বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এহেন পরিস্থিতিতে বুধবার ক্রীড়ামন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে সিএবি। দীর্ঘ সেই চিঠির সারকথা, সিএবির অন্দরে যাবতীয় কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। বাংলার ক্রিকেটের স্বার্থেই কাজ করে সংস্থা। চিঠিতে আরও বলা হয়, অভিষেকের পত্রবাণের জেরেই এই চিঠি পাঠাচ্ছ সিএবি। মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, গত ৩০ বছর থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত বঙ্গ ক্রীড়া সংস্থার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ ওঠেনি। ক্রীড়ামন্ত্রীকে সিএবি'তে আসার আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে এই চিঠিতে।

প্রশ্ন উঠছে, অভিষেকের চিঠিতে কোথাও সিএবির নাম ছিলই না। তাহলে সিএবি কেন যেচে সাফাই গাইতে গেল? এটা কি খানিকটা 'ঠাকুরঘরে কে? আমি তো কলা খাইনি' হয়ে গেল? ময়দানের প্রশ্ন, যদি কোনো দুর্নীতি না-ই হয়ে থাকে, তা হলে নিজে থেকে যেচে সাফাইয়ের দরকারটা কোথায়? এই চিঠিতে আরও একটা গোলমাল রয়েছে। চূড়ান্ত বিতর্কের পর যুগ্মসচিবের পদ থেকে সরানো হয়েছে মদনমোহন ঘোষকে। কিন্ত এই চিঠিতে তিনি সই করেছেন প্রাক্তন হিসাবেই। সরকারি চিঠিতে কি প্রাক্তন পদাধিকারীর সই করার এক্তিয়ার থাকে? উঠছে প্রশ্ন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement