আর মাত্র এক ধাপ। বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই আরও একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে চলে যাবে ভারত। কিন্তু কাজটা সহজ নয়। ইংল্যান্ড কোনওকালেই ভারতের জন্য জলভাত ছিল না। অন্তত টি-২০ বিশ্বকাপে তো নয়ই। অতীত বলছে, ইংরেজরা পরিসংখ্যানে খুব একটা পিছিয়ে নেই। তবে বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত বেশ কিছু একপেশে ম্যাচও দেখা গিয়েছে।
এমনিতে ইংল্যান্ড-ভারতের সার্বিক পরিসংখ্যানে বেশ খানিকটা এগিয়ে ভারত। মোট ২৯ ম্যাচের মধ্যে টিম ইন্ডিয়া ১৭টিতে জিতেছে। ইংল্যান্ড জিতেছে ১২টি। কিন্তু বিশ্বকাপে লড়াইটা অনেকটা সমানে সমানে। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারত এগিয়ে ৩-২ ব্যবধানে। বিশ্বকাপের এই পাঁচ ম্যাচের মধ্যে দু'বার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ভারত-ইংল্যান্ড। দুই দল জিতেছে একটি করে ম্যাচ। মজার কথা হল, দুই সেমিফাইনালেই রেজাল্ট হয়েছে একপেশে।
বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড পরিসংখ্যান।
২০২২ সালের সেমিতে ভারতকে ১০ উইকেটে হারায় ইংল্যান্ড। সেবার প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৬৮ রান তুলেছিল। কিন্তু সেই রানটা চার ওভার বাকি থাকতে কোনও উইকেট না খুইয়ে তুলে নেয় ইংল্যান্ড। বাটলার করলেন ৮০ রান। হেলস ৮৬ রান। ইংল্যান্ডের কাছে ওই বিরাট হার ভারতীয় ক্রিকেটকেই বদলে দেয়। অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুঝে যান, এবার ব্যাটারদের মানসিকতা বদলাতে হবে। নিজে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন। বদলে যায় ভারতীয় ক্রিকেট। ২০২৪ সেমিফাইনালে আবার একপেশেভাবে জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া। এবার ইংল্যান্ড হারে ৬৮ রানে।
তবে বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত অবশ্যই যুবরাজ সিংয়ের ছয় ছক্কা। ২০০৭ সালে যুবির সেই বিধ্বংসী ইনিংস সেমিফাইনাল ও ফাইনালের আগে ভারতের আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। ফলস্বরূপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া। বৃহস্পতিবার আবারও এমন চমকের অপেক্ষায় টিম ইন্ডিয়া।
