টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না পাকিস্তান। পাক সরকার ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। রবিবার সন্ধেয় সেই বিবৃতি প্রকাশিত হওয়ার পরই গোটা ক্রিকেটবিশ্বে তোলপাড় চলছে। আইসিসি-পিসিবির টানাপোড়েন চরমে। এসব টানাপোড়েনের মধ্যেই বিশ্বকাপ খেলতে উড়ে গেলেন পাক ক্রিকেটাররা।
সোমবার দুপুরে লাহোর থেকে কলম্বোর বিমানে ওঠে পাকিস্তান দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সব ম্যাচই পাকিস্তান খেলবে শ্রীলঙ্কায়। ভারতের মাটিতে তাদের কোনও ম্যাচ নেই। ভারত, আমেরিকা, নেদারল্যান্ড এবং নামিবিয়ার সঙ্গে গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে নামবে পাক দল। অধিনায়ক সলমন আলি আঘা চাইছেন এই পরিস্থিতিতে ফোকাস ধরে রাখতে।
সূচি অনুযায়ী, বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের সবচেয়ে কঠিন ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল ভারতের বিরুদ্ধেই। কিন্তু সরকারি নির্দেশের পর সেই ম্যাচে পাকিস্তান খেলবে না বলেই ধরে নেওয়া যায়। পাক বোর্ডের এক সূত্র বলছে, “সরকার থেকে বোর্ডকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান দল মাঠে নামবে না। ওই ম্যাচ ফোরফিট করা হবে। এবার যদি নকআউট পর্বে ভারতের সঙ্গে খেলার পরিস্থিতি হয়, সেক্ষেত্রে বোর্ড সরকারের সিদ্ধান্তকেই মেনে নেবে। ওই সময় সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তা মেনে নেওয়া হবে।” যার অর্থ ভারত ম্যাচ খেলতে নামছে না পাকিস্তান।
কিন্তু ভারতকে এড়াতে পারলেও বিশ্বকাপ অভিযান যে পাকিস্তানের জন্য খুব সোজা হবে তেমন কিন্তু নয়। কারণ টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে ১০ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার মুখোমুখি হতে হবে বাবর আজমদের। নেটিজেনদের অনেকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এই টিমটা কিন্তু মিনি ইন্ডিয়ার মতো। কারণ আমেরিকার এই দলের প্রথম একাদশের ৬ জন ক্রিকেটার ভারতীয় বংশোদ্ভূত। এর মধ্যে অধিনায়ক, সহ-অধিনায়কও রয়েছেন। এই দলে পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারও রয়েছেন। তবে তাঁরা সংখ্যায় কম। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পাকিস্তান এই আমেরিকার কাছেই আগের বিশ্বকাপে হেরেছিল।
