বয়কট নাটক করে নিজেরাই প্যাঁচে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। বিপদ থেকে বাঁচতে উপায় কী? বাংলাদেশকে দিয়ে 'অনুরোধে'র চিঠি লিখিয়েছে পাক বোর্ড। সেটাকে হাতিয়ার করে বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি পাকিস্তান। অর্থাৎ শুধু বয়কট তুলে নিজেদের নাক কাটেনি, সেই সঙ্গে বাংলাদেশের কাছেও হাত পেতেছে।
ঠিক কী হয়েছে? রবিবার আইসিসি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ বোর্ডের প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুল এবং পাকিস্তান বোর্ডের প্রধান নকভি উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ বোর্ড প্রধান আমিনুল ইসলামের তরফ থেকে বিবৃতিও আসে। যেখানে তিনি পাকিস্তানকে সহস্রবার ধন্যবাদ প্রভৃতি দিয়ে বলে দেন, ক্রিকেটের স্বার্থে ভারতের বিরুদ্ধে পাক টিমকে খেলতে অনুরোধ করছেন। কিন্তু সেই অনুরোধ সত্যি কে করেছেন? বুলবুল নাকি নকভি?
সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, মহসিন নকভিই নাকি বুলবুলকে দিয়ে 'অনুরোধে'র চিঠি লিখিয়েছেন। এই বিষয়ের সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তি বলছেন, "নকভি বুলবুলকে ফোন করে অনুরোধ করেন যেন তিনি একটি চিঠি লেখেন। যেখানে সরকারিভাবে তিনি পাকিস্তানকে ভারতের বিরুদ্ধে খেলার অনুরোধ করবেন। এই ঝামেলা থেকে বেরিয়ে আসার এটাই একমাত্র সম্মানজনক পথ ছিল।"
তাতে কি সম্মান বাঁচল? বরং পাকিস্তানের সব দিক থেকে নাক কাটা গেল। অন্যদিকে বাংলাদেশের কপালেও বিশেষ কিছু জোটেনি। বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও শেষমেশ বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান। ১৫ ফেব্রুয়ারি সেই মহারণ। এই ঘোষণা হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই মুম্বই-কলম্বো-মুম্বই যাতায়াতের বিমান ভাড়া একলাফে বিরাট বেড়ে গিয়েছে। ১০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৬০ হাজার টাকা হয়ে গিয়েছে।
