এসআইআরের (West Bengal SIR) কারণে বিএলও হিসাবে কাজে ব্যস্ত বহু শিক্ষক। তাই উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় (HS Exam 2026) ইনভিজিলেটরের ঘাটতি হতে পারে। সেই আশঙ্কা করেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ৭ হাজার শিক্ষককে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পরিদর্শক হিসাবে কাজে লাগানো হতে পারে। সোমবার স্পষ্ট করল উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য এ প্রসঙ্গে বলেন, "প্রয়োজন হলে মাধ্যমিক এমনকী, প্রাথমিক স্তরে থেকে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়ার নির্দেশিকা প্রতি বছরই থাকে। এ বছর এসআইআর আবহে অনেক শিক্ষকই ব্যস্ত। আমাদের কাছে সঠিক তথ্যও নেই। তাই শিক্ষক পেতে কোনও সমস্যা হলে তা বিকাশ ভবনের তরফে দেখা হবে বলে জানানো হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি জেলা স্কুল পরিদর্শক এবং জয়েন্ট কনভেনরদের সঙ্গে এ সংক্রান্ত বৈঠক রয়েছে। সেখানেই ঠিক হবে কত জন সরকারি কর্মীকে সেন্টার ইনচার্জের কাজে নিযুক্ত করা যেতে পারে।"
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিকের চূড়ান্ত বা চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা (HS Exam 2026)। একই সঙ্গে হবে তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি ও পুরনো পদ্ধতির উচ্চমাধ্যমিক। চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তিনটি পরীক্ষার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লাখ ১০ হাজার। এবার ছাত্রদের থেকে ছাত্রীর সংখ্যা ৭৯,৩৪৭ বেশি। চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা হবে সকাল দশটা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত। তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি হবে দুপুর ১টা থেকে দুপুর ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত। পুরনো পদ্ধতির পরীক্ষা হবে সকাল দশটা থেকে দুপুর ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।
সংসদ জানিয়েছে, মোট পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা ২১০৩। প্রতিটি কেন্দ্রের মূলগেটে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে মোবাইল ফোন ও অন্য বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষার্থী ঢুকছে কি না, তা চেক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন কারও কাছে এগুলি পাওয়া গেলে পরীক্ষার্থীর সমস্ত পরীক্ষাই বাতিল করা হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেট ভেনু সুপারভাইজারের কাছে খোলা যাবে না। পরীক্ষার্থীদের সামনে সকাল ৯ টা৫০ মিনিটে তা খুলে বিলি করতে পারবেন পরিদর্শক। পরীক্ষার্থী দশটা পর্যন্ত প্রশ্নপত্র শুধু পড়তে পারবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত একটি হেল্প ডেস্ক নম্বরও (৬২৮৯৮৮৬৬০৬/০৩৩-২৩২১৩২১৬) চালু করেছে সংসদ। ইতিমধ্যেই ফাঁকা উত্তরপত্র, ওএমআর, প্রশ্নপত্র যথাস্থানে হস্তান্তর করা হয়েছে।
