জল্পনা থেকে অনেকদিন আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁদের প্রেমকাহিনি। এবার তাতে শিলমোহর দিলেন অর্শদীপ সিং। গ্ল্যামার দুনিয়ার লাস্যময়ী তারকা সমরিন কৌরের নামে ট্যাটু করিয়ে চমকে দিলেন বিশ্বজয়ী পেসার। একই কাজ করলেন সমরিনও। কিন্তু তাঁদের এই ট্যাটুর মধ্যে একটা মিল আছে। সঙ্গে আছে বিশেষ অর্থও। সোশাল মিডিয়ায় অর্শদীপ-সমরিনের একসঙ্গে ছবি দেখে মুগ্ধ ভক্তরা।
কী আছে সেই ট্যাটুতে? অর্শদীপের হাতে লেখা, 'এসকে'। অর্থাৎ সমরিনের নামের আদ্যাক্ষর। আর তাঁর নামে আবার লেখা, 'এএস।' যা কি না অর্শদীপের নামের আদ্যাক্ষর। দু'জনের নামের পাশেই একটা করে ছোট 'হার্ট' ইমোজি দেওয়া। আসলে এই নামের আদ্যাক্ষর অর্শদীপ ও সমরিনের লেখা। অর্থাৎ, সমরিনের হাতে লেখা 'এএস' অর্শদীপের হাতে লেখা। পরে ট্যাটু ডিজাইনার সেটাকেই ফাইন-লাইন ট্যাটুতে পরিণত করেন। সেই হাতের লেখার ধরনেই ট্যাটু করা হয়। তারপরই জল্পনা, এবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন অর্শদীপ?
ক্রিকেট ও বলিউডের প্রেমকাহিনি নতুন কিছু নয়। চলতি বছর আইপিএল চলাকালীন অর্শদীপ এবং সমরিনের প্রেমের গুঞ্জন ছড়ায়। তারপর দুনিয়ার সঙ্গে প্রেমিকার পরিচয় করান অর্শদীপ, ছবি দিয়ে বলেন 'মাই পার্সন'। কে এই সমরিন? পাঞ্জাবি বিনোদনের জগতে যথেষ্ট পরিচিত মুখ এই লাস্যময়ী। ২৬ বছর বয়সি সমরিনের জন্ম জম্মু-কাশ্মীরে। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিং করেন। পুণের কলেজ থেকে বিকম পাশ করে গ্ল্যামার দুনিয়ায় সমরিনের পদার্পণ। কেরিয়ারের গোড়াতেই মিস জম্মু-কাশ্মীর হিসাবে প্রতিনিধিত্ব করেন মিস ইন্ডিয়ার মঞ্চে। তারপর থেকেই জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে তাঁর।
তবে সমরিন ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে পরিচিত '৮৩' ছবি থেকে। ওই ছবিতেই ছোট্ট এক চরিত্রে দেখা যায় সমরিনকে। ছবিতে তাঁর নাম ছিল সিমরন সিং। যাঁকে দেখান হয়েছিল বলবিন্দর সিং সান্ধুর বাগদত্তা হিসেবে। তবে শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক ভেঙে যায় বলেই সিনেমায় দেখানো হয়। যদিও বাস্তবে সিমরন নামের কোনও চরিত্রের অস্তিত্ব ছিল না। অর্থাৎ পর্দায় বিশ্বজয়ীর বাগদত্তা থেকে এখন বিশ্বজয়ীর প্রেমিকা সিমরন।
