টি-২০ বিশ্বকাপে চার পাক বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রিকেটারের ভিসা সমস্যা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই তোলপাড় ক্রিকেট বিশ্ব। মার্কিন ক্রিকেটার আলি খান অভিযোগ করেছিলেন, পাকিস্তানে জন্ম হওয়ায় তাঁদের ভিসার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে ভারত। কিন্তু সেই অভিযোগ যে সত্যি নয়, এবার সেটা স্পষ্ট করে দিল আমেরিকার ক্রিকেট সংস্থাই। মার্কিন ক্রিকেট সংস্থা জানিয়ে দিল, পাক বংশোদ্ভূত মার্কিন ক্রিকেটারদের ভিসার আবেদন এখনও গৃহীত হয়নি ঠিকই, কিন্তু সেটা বাতিলও হয়নি। হয়তো ভিসা পেতে খানিকটা দেরি হবে, কিন্তু এই সমস্যা মিটেও যাবে।
বাংলাদেশের ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিস্তর জলঘোলা হয়েছে ক্রিকেট মহলে। সঙ্গে শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। দিন কয়েক আগে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মার্কিন তারকা আলি খান দাবি করেন, তাঁকে ও তাঁর চার সতীর্থকে বিশ্বকাপে খেলতে আসার ভিসা দিচ্ছে না ভারত। আরও তিন ক্রিকেটার সায়ান জাহাঙ্গীর, মহম্মদ মহসিন এবং এহসান আদিলকেও ভিসা দেওয়া হয়নি। কিন্তু বাস্তব হল, আলি খানের ওই অভিযোগ সত্যি নয়।
মার্কিন ক্রিকেট সংস্থা এই ইস্যুতে মুখ খুলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসার আবেদন খারিজ করা হয়নি। ভিসার কাজ এখনও চলছে। হয়তো পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের ভিসা পেতে কিছুটা সময় লাগবে। কারণ, ভারতের নিয়ম অনুযায়ী পাকিস্তানে যাদের জন্ম তাঁরা যে দেশেরই নাগরিক হন না কেন, তাঁদের ভিসার আবেদনের সময় পাকিস্তানের পরিচয় উল্লেখ করতে হয়। আর ভারত ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্ক যেহেতু এখন তলানিতে তাই ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে খানিকটা সময় লাগবে। তবে ইউএসএ ক্রিকেট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভিসা সমস্যাটি মিটিয়ে নেওয়া হবে। এই মুহূর্তে আমেরিকা ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্বে আছে আইসিসি নিজেই। ফলে সমস্যা দ্রুত মিটবে বলেই আশা করা যাচ্ছে।
তবে ভিসার ঢিলেমির এই এই সমস্যা শুধু যে আমেরিকার ক্রিকেটারদের হবে তাই নয়, সব মিলিয়ে অন্তত আট দেশ প্রভাবিত হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিশাহী, ওমান, নেপাল, কানাডা, ইংল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে এবং নেদারল্যান্ডসের মতো দেশে পাক বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই ভিসা পেতে দেরি হতে পারে। যদিও আইসিসি সূত্রের খবর, সমস্যা দ্রুত মেটাতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
