রেকর্ড ও বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। এ যেন সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে। এবার দলীপ ট্রফির মঞ্চেও নয়া নজির ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটারের। আগের ম্যাচে রান পায়নি। সেমিফাইনালে মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে সেই খামতি পুষিয়ে দিল বৈভব। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। মাত্র ৮১ বলে ৯২ রান করে আউট। তাতেই 'বেবি বস' ভেঙে দিল ৫৭ বছর পুরনো রেকর্ড।
দলীপে পূর্বাঞ্চলের সহ-অধিনায়ক বৈভব। তবে ঈশান কিষান চোট পাওয়ায় নেতৃত্বও দিতে হয়। আগের ম্যাচে ৬ বলে ৮ রান করে আউট হয়েছিল। মধ্যাঞ্চলের বিরুদ্ধে সেটা সুদে-আসলে পুষিয়ে দিল। প্রথমে ব্যাট করে মধ্যাঞ্চল তোলে ২৬৬ রান। বাংলার মহম্মদ শামি দু'টি ও মুকেশ কুমার তিনটি উইকেট পান। এরপর শুরু হয় বৈভবের তাণ্ডব। সদ্য টেস্ট অভিষেক হওয়া সারাংশ জৈনের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে মাত্র ৪২ বলে হাফসেঞ্চুরি করে। এখন তার বয়স ১৫ বছর ১৫৭ দিন।
এর আগে দলীপ ট্রফিতে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে হাফসেঞ্চুরির নজির ছিল লক্ষ্মণ সিংয়ের। ১৯৬৯ সালে ১৬ বছর ২৩ দিন বয়সে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন লক্ষ্মণ। সেই রেকর্ড ভেঙে দিল বৈভব। তবে এদিন আরও একটি নজির হাতছাড়া হল মাত্র ৮ রানের জন্য। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি এল না তার ব্যাট থেকে। বৈভব শতরান করলে ভেঙে দিতে পারত ৩৬ বছর পুরনো শচীন তেণ্ডুলকরের নজির। ১৯৯০/৯১ মরশুমে দলীপ ট্রফিতে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে সেঞ্চুরি করেছিলেন শচীন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর ২৬২ দিন।
বৈভব হর্ষ দুবের বলে আর্শাদ খানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয় ৯২ রানে। ৪০ রানের মাথায় একবার তার ক্যাচ পড়ে। বাকিটা নিজস্ব ভঙ্গিতেই খেলে। ৭টা চার ও ৭টা ছয় দিয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটা তার দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি। আর সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে এই নিয়ে সাতবার ৯০-র কোঠায় আউট হল 'বেবি বস'।
