রূপচর্চা যাঁরা করেন, তাঁদের কাছে সিরাম অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সামগ্রী। অনেকে নিজে হাতে সিরাম তৈরি করে নেন। আবার কেউ কেউ বাজারচলতি সামগ্রী কেনেন। ভিটামিন সি কিংবা হায়ালুরনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ সিরাম ব্যবহারের চলই এতকাল বেশি ছিল। তবে ইদানীং বাজার কাঁপাচ্ছে '২৪ ক্যারাট গোল্ড সিরাম' (24k Gold Serum)। সত্যিই কি এই সিরাম ত্বকের জন্য উপকারী নাকি তা শুধুমাত্র সোশাল মিডিয়ার হুজুগ, জেনে নিন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
'২৪ ক্যারাট গোল্ড সিরাম' উজ্জ্বল সোনালি রঙের। ঠিক যেন গলানো সোনার মতো। নির্মাতাদের দাবি, এই সিরামে নাকি খাঁটি সোনার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ মেশানো রয়েছে। এছাড়া ওই সিরামে থাকছে ভিটামিন সি ও ই, হায়ালুরনিক অ্যাসিড, পেপটাইড, নানারকম অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট। এছাড়া নানা ভেষজ উপাদান মেশানো হচ্ছে। যা ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিত্য ব্যবহারে ত্বকও হবে সোনার মতো চকচকে। বলিরেখা দূর হবে। ব্রণ কিংবা চুলকানির সমস্যা মিটবে। অতিবেগুনি রশ্মির কুপ্রভাব থেকেও বাঁচবে ত্বক। তাই এই একটিমাত্র সিরাম ক্লিনজিং, ময়েশ্চারাইজিং এবং সানস্ক্রিনের মতো কাজ করবে। আর সেই ভরসাতেই রূপচর্চায় অনেকেই '২৪ ক্যারাট গোল্ড সিরাম' ব্যবহার করছেন।
ত্বকের জন্য কতটা নিরাপদ '২৪ ক্যারাট গোল্ড সিরাম'? বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ধরনের সিরাম ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। নিত্যদিন একটানা ব্যবহার করলে তফাৎ টের পাওয়া যাবে। বলে রাখা ভালো, এই প্রথম নয়। প্রাচীনকালে মিশর এবং চিনেও সোনার মাস্ক রূপচর্চায় কাজে লাগত। মিশরের রানি ক্লিওপেট্রা নাকি এই ধরনের মাস্ক ব্যবহার করতেন। চিনের রাজপরিবারের সদস্যরাও সোনার প্যাক এবং রোলার ব্যবহার করতেন। তার ফলে মুখে বার্ধক্যের ছাপ পড়ত না সেভাবে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিরাম ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। নইলে ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যায় ভুগতে হতে পারে। তাই আগে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে ভুলবেন না।
