shono
Advertisement
Durand Cup

ঘোষিত ডুরান্ড কাপের দিনক্ষণ, সুরুচি-শ্রীভূমি-ডায়মন্ড হারবারকে রেখেই কলকাতা লিগের গ্রুপ বিন্যাস

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডুরান্ডের ম্যাচগুলি হবে পাঁচটি শহরে। অন্যদিকে, কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনেরও হয়েছে বৃহস্পতিবার। 
Published By: Prasenjit DuttaPosted: 06:15 PM Jun 25, 2026Updated: 08:05 PM Jun 25, 2026

ডুরান্ড কাপের ১৩৫তম সংস্করণের বল গড়াবে ২৫ জুলাই। প্রতিযোগিতা চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। এবারের আসরে অংশ নেবে ২৪টি দল। যার মধ্যে থাকবে দু'টি বিদেশি দলও। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলি হবে পাঁচটি শহরে। অন্যদিকে, কলকাতা লিগের প্রিমিয়ার ডিভিশনেরও হয়েছে বৃহস্পতিবার। 

Advertisement

কোন পাঁচ শহরে হবে ডুরান্ড? কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ইম্ফল এবং শিলং। ডুরান্ড কাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজক শহর হিসাবে যুক্ত হয়েছে রাঁচি। ম্যাচগুলি হবে ছ'টি ভেন্যুতে। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন ও কিশোরভারতী স্টেডিয়াম ছাড়াও তালিকায় রয়েছে রাঁচির বিরসা মুণ্ডা স্টেডিয়াম, গুয়াহাটির ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক স্টেডিয়াম, ইম্ফল খুমান ল্যাম্পাক স্টেডিয়াম এবং শিলংয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামেও ডুরান্ডের বল গড়াবে।

উল্লেখ্য, গতবারও পাঁচ শহরের ছয় মাঠে বসেছিল ডুরান্ড কাপের আসর। কলকাতার যুবভারতী এবং কিশোরভারতী স্টেডিয়াম ছাড়াও কোকরাঝাড়, ইম্ফল, শিলং ও জামশেদপুরে ম্যাচগুলি হয়েছিল। এবার জামশেদপুর এবং কোকরাঝাড় পরিবর্তে জায়গা করে নিয়েছে রাঁচি ও গুয়াহাটি। ২০১৯ সালে পূর্ব ভারতে স্থানান্তরের পর ডুরান্ড কাপ নতুন মাত্রা পেয়েছে। ১৬ দলের টুর্নামেন্ট থেকে তা এখন ডুরান্ড হয় ২৪ দলের। এবারেও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে পূর্ণাঙ্গ সূচি এখনও ঘোষণা হয়নি। তা পরে জানানো হবে। ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসে ডুরান্ড কাপের গুরুত্ব অপরিসীম। ১৮৮৮ সালে শুরু হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। সেঞ্চুরি পেরনো এই প্রতিযোগিতা দেশের প্রতিভাবান ফুটবলারদের মেলে ধরার মঞ্চ। উল্লেখ্য, গতবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল নর্থ-ইস্ট ইউনাইটেড। সবচেয়ে বেশি ১৭ বার এই প্রতিযোগিতা জিতেছে মোহনবাগান। ১৬ বার ডুরান্ড জিতে দ্বিতীয় স্থানে ইস্টবেঙ্গল। 

ফাইল ছবি।

অন্যদিকে, প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাব প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে লটারির মাধ্যমে গ্রুপ বিন্যাস হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার আইএফএ অফিসে এক বৈঠকে এই লটারি অনুষ্ঠিত হয়। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল ও রানার্স আপ ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে যথাক্রমে গ্রুপ ১ ও গ্রুপ ২-তে রেখে বাকি দলগুলিকে দু'টি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে মোহনবাগান। ষষ্ঠ রাউন্ডে হবে ডার্বি। এই ডিভিশনের মডালিটি অনুযায়ী দু'টি গ্রুপের শীর্ষে থাকা তিনটি করে দলকে নিয়ে সুপার সিক্স রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। একইভাবে প্রতি গ্রুপে নিচের দিকে থাকা তিনটি করে দলকে নিয়ে রেলিগেশন রাউন্ড হবে। এবারের লিগে ভূমিপুত্রের সংখ্যা গতবারের মতো ছ'জন থাকছে। বৈঠকে ক্লাব প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইএফএ সভাপতি অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, সচিব অনির্বাণ দত্ত, সহ-সচিব মহম্মদ জামাল, রাকেশ ঝা, সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায়। প্রিমিয়ার ডিভিশনের খেলা ৮ থেকে ১০ই জুলাইয়ের মধ্যে শুরু হবে। 

২৪ দলকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ 'এ'-তে রয়েছে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, বিএসএস, ইউনাইটেড স্পোর্টস কলকাতা, মেসারার্স, কালীঘাট এমএস, রেলওয়ে এফসি, ক্যালকাটা কাস্টমস, পাঠচক্র, জর্জ টেলিগ্রাফ, বিধাননগর, ভবানীপুর। গ্রুপ 'বি'-তে মহামেডান স্পোর্টিং, ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাব, পিয়ারলেস, উয়াড়ি, শ্রীভূমি এফসি, পুলিশ এসি, কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স, সুরুচি সংঘ, রেনবো, কোল ইন্ডিয়া, এরিয়ান, ডায়মন্ড হারবার, ক্যালকাটা পুলিশ। উল্লেখ্য, সুরুচি সংঘ, শ্রীভূমি ও ডায়মন্ড হারবার এফসি এখনও আইএফএ-কে সরকারিভাবে কিছু জানায়নি। তাই তিনটি দলকে রেখেই গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে। তবে তিন দলকে ঘিরে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংগঠকের গ্রেপ্তারি ও প্রশাসনিক সমস্যার কারণে সুরুচি সংঘের অনুশীলন বন্ধ রয়েছে। শ্রীভূমি ও ডায়মন্ড হারবার এফসির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তাই তারা শেষ পর্যন্ত কলকাতা লিগে খেলবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement