shono
Advertisement

Breaking News

Argentina vs England

চোখ রাঙাচ্ছে যুদ্ধ-শত্রুতার ইতিহাস! মেসি-কেনদের দ্বৈরথ সবচেয়ে ভয়ংকর, বলছে এফবিআই

এই দুই দেশের ফুটবল যুদ্ধ আর পাঁচটা ম্যাচের চেয়ে অনেক আলাদা। আবেগ, ইতিহাস, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুধু ম্যাচটাকে আর মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ রাখছে না।
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 03:53 PM Jul 15, 2026Updated: 04:44 PM Jul 15, 2026

বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) ম্যাচ মানেই নিরাপত্তার কড়াকড়ি থাকবে, সেটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু বুধবারের আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের (Argentina vs England) সেমিফাইনাল যুদ্ধের আগে কার্যত দুর্গে পরিণত করে ফেলা হচ্ছে আটলান্টার স্টেডিয়াম। আসলে এই দুই দেশের ফুটবল যুদ্ধ আর পাঁচটা ম্যাচের চেয়ে অনেক আলাদা। আবেগ, ইতিহাস, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই শুধু ম্যাচটাকে আর মাঠের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ রাখছে না। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ম্যাচ হতে চলেছে বুধবারের সেমিফাইনাল।

Advertisement

ফলে এই ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা আরও কঠোর করা হয়েছে। ফিফা, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন আর মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা মিলে একাধিক বৈঠক করেছেন। তারপরই সিদ্ধান্ত হয়, এই ম্যাচে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হবে। আলাদা করে বিবৃতি জারি করেছে আটলান্টা পুলিশ। সেখানে জানানো হয়, শহরজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। তার জন্য বাড়তি পুলিশবাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। ম্যাচে যেন যাবতীয় অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়, সেটা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা বিভাগ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গেও লাগাতার যোগাযোগ রাখছে আটলান্টা পুলিশ। যদিও সেই নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

স্টেডিয়ামে অন্তত ১৬০০ পুলিশ আধিকারিক মোতায়েন করা হয়েছে। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার দুই দলের সমর্থকদের আলাদা গেট নিয়ে মাঠে প্রবেশ করানো হবে। ফকল্যান্ড আইল্যান্ড সংক্রান্ত কোনও ব্যানার নিয়ে মাঠে ঢোকা যাবে না। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড আর আর্জেন্টিনা ফুটবল দ্বৈরথ নিয়ে বহু ঘটনা রয়েছে। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা অধিনায়ককে মার্চিং অর্ডার দেওয়া থেকে শুরু করে ছিয়াশিতে দিয়েগো মারাদোনার সেই 'হ্যান্ড অফ গড'। এর সঙ্গে আবার দু'দেশের রাজনৈতিক ব্যাপার-স্যাপারও থাকছে। যা নিয়ে দু'দেশের তরফে ইতিমধ্যেই হুঙ্কার দিতে শুরু করেছে। সেমিফাইনাল নিয়ে পরিস্থিতি এতটাই তপ্ত যে মার্কিন প্রশাসন কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না।

অবশ্য শুধু অতীত কিংবা ইতিহাস নয়, সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনাও মার্কিন প্রশাসনকে বেশ চিন্তায় রাখছে। নিরাপত্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সেটাও একটা বড় কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোয়ার্টার ফাইনালে হ্যারি কেন-রা নরওয়েকে হারানোর পর মায়ামিতে দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। যে ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement