বিশ্বকাপের সফর শেষ হয়েছে রাউন্ড অফ ৩২-এ। কিন্তু হেরেও মন জিতে নিয়েছে কেপ ভার্দে। কে ভেবেছিল ভোজিনহা-কাব্রালকে স্পেন-উরুগুয়েকে আটকে দেবেন? প্রবল চাপে রাখবেন লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে। এখন লোকের মুখে মুখে কেপ ভার্দের নাম। দেশে পা রাখতেই সেটা টের পেলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা। তাঁদের স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে জনজোয়ার। আর শুধু ভালোবাসা নয়। বিশ্বকাপ শেষে প্রায় ২০০ কোটি টাকা পকেটে ঢুকবে আফ্রিকার দেশটির।
বিশ্বকাপ কে জিতবে, তা তো সময় বলবে। তবে মন জিতে নিয়েছে সাড়ে পাঁচ লক্ষ জনসংখ্যার ছোট্ট দেশটি। মরণপণ যুদ্ধে মহাশক্তিধর দেশগুলোকে সমানে টক্কর দিয়েছে তারা। তবে সেই স্বপ্ন-সফর থেমে গিয়েছে রাউন্ড অফ ৩২-এ। সে হোক, তাতে ডেরোয় ডুয়ার্তেদের কৃতিত্ব কমে না। আমেরিকা থেকে তাই বীরের মর্যাদায় দেশে ফিরলেন তারা। প্লেন বিমানবন্দর ছুঁতেই কেউ মাথা নত করে কুর্নিশ জানালেন ফুটবলারদের। স্টেডিয়ামের বাইরে কাতারে কাতারে ভক্ত। চারদিকে ক্যামেরা, সেলফি তোলার ভিড়। চারদিক খোলা বাসে তাঁদের ঘোরানো হয়। ভোজিনহারাও কাউকে নিরাশ করেননি। সমর্থকদের সঙ্গে তারা হাত মেলান, ছবি তোলেন।
তবে শুধু ভালোবাসা নয়। বিশ্বকাপ শেষে তারা বিরাট অঙ্কের পুরস্কার পাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপে ফিফা ৪৮ অংশগ্রহণকারী দেশের জন্য মোট ৮৭১ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছে। প্রস্তুতি ও যাতায়াতের জন্য দেওয়া হয়েছে ২.৫ মিলিয়ন ডলার। শুধু অংশ নেওয়ার জন্য ১০ মিলিয়ন। রাউন্ড অফ ৩২-এ যাওয়ার জন্য তারা পাবে ১১ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার। অর্থাৎ সব মিলিয়ে তারা মোট ২৩.৫ মিলিয়ন টাকা পাচ্ছে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এই অর্থ সরাসরি যাবে কেপ ভার্দে ফুটবল ফেডারেশনের হাতে। ভবিষ্যতে পরিকাঠামো উন্নয়ন, বয়সভিত্তিক ফুটবল, কোচিং এবং দেশটির ফুটবল বিকাশে কীভাবে অর্থ ব্যয় করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে ফেডারেশনই।
