একটা সময় তিনি জাপানের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তাঁর কোচিংয়ে জাপান ২০০৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছিল। যদিও সেই ম্যাচে জাপান হেরে যায় ১-৪ গোলে। যাঁর কোচিংয়ে জাপান সেবার বিশ্বকাপে নেমেছিল, তিনি ছিলেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের কিংবদন্তি ‘সাদা পেলে’ জিকো।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাপানের উত্থানের পিছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। নিজে একসময় জাপানের ক্লাব ফুটবলে খেলেছিলেন। এবারের বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) ৩২তম রাউন্ডে জাপান আবার ব্রাজিলের বিরুদ্ধে মোকাবিলায় নামতে চলেছে। এই ম্যাচের আগে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি এবং জাপানের প্রাক্তন কোচ জিকো জানাচ্ছেন, ব্রাজিল জিতলে খুশি হবেন। তবে জাপান জিতলেও তাঁর দুঃখ হবে না।
একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিকো বলেছেন, ‘‘আমি ব্রাজিলিয়ান। ফলে জাপানের বিরুদ্ধে জিতে যদি ব্রাজিল পরবর্তী রাউন্ডে পৌঁছয়, তা হলে দারুণ ব্যাপার হবে। কিন্তু ব্রাজিল যদি জাপানের কাছে হেরে যায়, তা হলেও আমি দুঃখে ভেঙে পড়ব না। কারণ, জাপানের ফুটবলের কোইমব্রা পরিবারের প্রতি আমার একটা অবদান আছে। ফলে আমার সেভাবে দুঃখ হবে না।’’
জিকো ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত জাপানের জাতীয় ফুটবল দলের কোচ ছিলেন। তাঁর সময়কালে ব্রাজিলের সঙ্গে দু’বার মুখোমুখি হয়েছিল জাপান। সেবারের সঙ্গে এবারের লড়াইয়ে তুলনা প্রসঙ্গে জিকো বলেছেন, ‘‘২০০৬ বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের পরিস্থিতি জাপানের কাছে ইতিবাচক।’’ নকআউটে নামার আগে ব্রাজিল কোচ আন্সেলোত্তি বলেন, "প্রতিপক্ষের শক্তি যাচাই করেই আমরা খেলব। এই ম্যাচে নামার আগে প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিচ্ছি। ইংল্যান্ডে যাকে ‘মনস্তাত্ত্বিক লড়াই’ বলে, তা আম্ররা ছি না। আমরা শুধু প্রস্তুত হচ্ছি।" এখন দেখার, ব্রাজিল বনাম জাপান দ্বৈরথে জয়ী হয় কোন দল।
