জাপান: ৪ (উইডা ২, কামাডা,ইটো)
তিউনিশিয়া: ০
প্রথম ম্যাচে কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করে ড্র। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই বিশ্বকাপে ঝলমলিয়ে উঠল এশিয়ার সূর্য। রবিবার সকালে তিউনিশিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স জাপানের। দাপুটে ম্যাচ জিতে নকআউটের দৌড়ে অনেকখানি এগিয়ে গেলেন দাইচি কামাডারা। বেশ ভালো ফুটবল খেলল তিউনিশিয়াও। তবে আয়াসে উইডার জোড়া গোল আর জাপানের দারুণ ফুটবলের সামনে ফিকে হয়ে গেল আফ্রিকার দেশটি।
গ্রুপ এফের প্রথম ম্যাচে জাপানের প্রতিপক্ষ ছিল নেদারল্যান্ডস, যারা শনিবার গভীর রাতে পাঁচ গোল দিয়েছে সুইডেনকে। সেই ডাচ বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ ২-২ ড্র করেছিল জাপান। দ্বিতীয় ম্যাচেই একেবারে দাপুটে মেজাজে দেখা গেল সামুরাই বাহিনীকে। এই ম্যাচটা ছিল ফুটবল বিশ্বকাপের ১০০০ তম ম্যাচ। মাত্র চার মিনিটের মাথায় অনবদ্য গোল করলেন কামাডা। ওখানেই যেন ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করল তিউনিশিয়া। জাপানের গতি রুখতে বেশ হিমশিম খায় গোটা দল।
প্রথমার্ধের প্রায় ২৫ মিনিট কেটে যাওয়ার পর খানিকটা ছন্দে ফেরে তিউনিশিয়া। পুরোপুরি রক্ষণাত্মক ছকে চলে গিয়ে জাপানের আক্রমণ রুখতে চেষ্টা করে। কিন্তু ৩১ মিনিটের মাথায় সেই রক্ষণ চিরে গোল উইডার। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা আরও ঝাঁজাল মেজাজে করেন নাকামুরারা। জাপান ক'টা গোল দেবে, সেই নিয়ে তখন চর্চা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে। ৬৯ মিনিটে ইটোর পা থেকে এল তৃতীয় গোল। ৮৪ মিনিটে এল উইডার দ্বিতীয় গোলটি। কয়েকটা সহজ সুযোগ নষ্ট করে পাঁচতারা পারফরম্যান্সের হাতছানি মাঠেই ফেলে এল জাপান।
অন্যদিকে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম পয়েন্ট পেল কুরাসাও। প্রথম ম্যাচে জার্মান গোলায় বিধ্বস্ত হয়েছিল পুঁচকে দেশটি। সাত গোল হজম করে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই তাদের খাতায় এল বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম পয়েন্ট। এদিন ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করল কুরাসাও। যদিও তাদের নকআউটে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ। কিন্তু প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে নেমে পয়েন্ট নিয়ে ফিরছে মাত্র দেড় লক্ষ জনসংখ্যার দেশ, সেটাই বা কম কী?
