আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) জিতেছে স্পেন (Spain Football Team)। ২০১০ সালের রূপকথা আবারও ফিরেছে স্প্যানিশ আর্মাডায়। তবে ইকের ক্যাসিয়াসের দলের থেকে একটা ক্ষেত্রে এগিয়ে থেকে নতুন ইতিহাস গড়েছেন রড্রিরা। এমন নজির গড়েছে স্পেন, যেটা বিশ্বকাপের প্রায় একশো বছরের ইতিহাসে কোনও দল করতে পারেনি। সেই নজিরেই যেন কোথাও গিয়ে মিলে গেল স্পেন আর ইস্টবেঙ্গল, দুই লাল-হলুদ জার্সিধারীরা।
সদ্যসমাপ্ত বিশ্বকাপে একঝাঁক নজির গড়েছে স্পেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে একটানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার নজির গড়েছে লা রোজা। এর আগে টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত ছিল ইটালি। রবিবারের ফাইনাল জিতে ৩৮ ম্যাচ না হারের রেকর্ড গেল লামিনে ইয়ামালদের ঝুলিতে। বিশ্বকাপে মাত্র ১টি গোল খেয়েছে স্পেন। টানা সাত ম্যাচ প্রতিপক্ষকে একটিও পয়েন্ট তুলতে দেয়নি তারা।
তবে এত নজিরের পাশাপাশি এক নতুন ইতিহাস লিখে ফেলেছে স্পেন। রবিবার বিশ্বকাপ জিতল পুরুষ দল। তিনবছর আগে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন স্পেনের মহিলারা। ২০২৩ মহিলা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় স্পেন এবং ইংল্যান্ড। খেতাবি যুদ্ধে ইংল্যান্ডকে ১-০ হারিয়ে দেয় লা রোজার প্রমীলা বাহিনী। মহিলাদের ফুটবলে এটাই প্রথমবার বিশ্বজয় স্প্যানিশ ব্রিগেডের। রবিবার নিকো উইলিয়ামসরা ট্রফি জিততেই বিশ্ব ফুটবলে লেখা হল নতুন ইতিহাস। এই প্রথমবার একই দেশ একই সময়ে মহিলা এবং পুরুষদের ফুটবলে বিশ্বসেরা হল। এর আগে জার্মানির মহিলা এবং পুরুষদের দল বিশ্বকাপ জিতেছিল। কিন্তু একই সময়ে পুরুষ এবং মহিলা দুই দলই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন-এমন নজির নেই।
চলতি বছর খানিকটা একই ধরনের নজির গড়েছে ইস্টবেঙ্গলও। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে দু’বার ভারতসেরার শিরোপা ঢুকেছে লাল-হলুদ তাঁবুতে। প্রথমে দেশের সেরা হয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের মেয়েরা। তারপর ২২ বছরের খরা কাটিয়ে পুরষদের দলও ভারতসেরা হয়েছে। এবার এশীয় পর্যায়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবে ইস্টবেঙ্গল, পুরুষ এবং মহিলা উভয় দলই। একসঙ্গে ভারতসেরা হয়েছে লাল-হলুদের দুই দল। ভারতীয় ফুটবলে এমন নজির আগে কখনও ঘটেনি। দেশের এক নম্বর লিগে একই মরশুমে একই ক্লাবের পুরুষ এবং মহিলা দল একসঙ্গে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে-এমনটা ভারতীয় ফুটবলে কখনও হয়নি।
