বিশ্বকাপ চলবে আর রেফারিং নিয়ে বিতর্ক হবে না, তাই হয় নাকি। আমেরিকার মাটিতেও বিশ্বকাপে নানাবিধ বিতর্কের মধ্যে অন্যতম হল রেফারিং বিতর্ক। ইতিমধ্যেই আর্জেন্টিনার দুই ম্যাচে রেফারির দুই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটিতে মেসিকে কেন লালকার্ড দেখানো হল না, দ্বিতীয় ম্যাচে মেসির প্রথম গোল কেন ফাউলের জন্য বাতিল হল না, এমন নানাবিধ প্রশ্ন উঠছে। এবার ব্রাজিল ম্যাচ নিয়েও রেফারিং বিতর্ক। কাঠগড়ায় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিও।
আসলে ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচের ২২ মিনিটে অনবদ্য দক্ষতায় স্কটল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র। কিন্তু বাদ সাধে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি। ভার জানায় ওই গোলটির আগে ভিনি স্কট ডিফেন্ডারকে ফাউল করেছেন। গোলটি বাতিল হয়। আসলে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার হেন্ড্রির কাছ থেকে যেভাবে বলটি ছিনিয়ে নেন ভিনি, সেটাকে ফাউল বলে গণ্য করে ভার। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
গোলের আগের মুহূর্ত। নিজস্ব চিত্র।
ব্রাজিলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার লুকাস যেমন বলছেন, "এটা কোনওভাবেই ফাউল ছিল না। ভিনি যেভাবে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডারদের উপর চাপ সৃষ্টি করছিল, তাতে ওঁর প্রশংসা প্রাপ্য।" আবার ফিফার প্রাক্তন রেফারি ডারেন ক্যান বলছেন, "আমার মনে হয় না এটা ফাউল ছিল। ভিনি শুধু বলটি কেড়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। ডিফেন্ডারই পড়ে গিয়েছে ওঁর গায়ে। এই সিদ্ধান্তে স্কটল্যান্ডের খুশি হওয়া উচিত।" নেটিজেনদের একাংশও ওই সিদ্ধান্তে অখুশি। কারও কারও প্রশ্ন, ফিফার সিদ্ধান্তে বারবার সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা, অথচ ব্রাজিলের ক্ষেত্রে এমন আচরণ কেন?
যদিও ওই বাতিল গোল ভিনিকে দমাতে পারেনি। ম্যাচের ২২ মিনিট এবং প্রথমার্ধের সংযুক্ত সময়ে গোল করে তিনি ব্রাজিলকে অনায়াসে জিতিয়ে দিয়েছেন। আক্ষেপ একটাই, ২২ মিনিটের ওই গোল বাতিল না হলে মেসির পাশাপাশি চলতি বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক হিরোদের পাশে নাম থাকত রিয়াল মাদ্রিদের ফরোয়ার্ডেরও।
