ফুটবল বিশ্ব জোসে মোরিনহোকে চেনে 'দ্য স্পেশ্যাল ওয়ান' হিসাবে। আর জুর্গেন ক্লপ (Jurgen Klopp) লিভারপুরের দায়িত্ব নিয়ে নিজেকে বর্ণনা করেছিলেন 'দ্য নর্মাল ওয়ান' হিসাবে। জার্মান ফুটবলকে 'নরমালসি' অর্থাৎ পূর্বাবস্থায় ফেরাতে সেই নর্মাল ওয়ানেই ভরসা রাখল জার্মান ফুটবল সংস্থা ডিএফবি। জামাল মুসিয়ালাদের হেড কোচের দায়িত্ব নিলেন জুর্গেন ক্লপ।
২০৩০ পর্যন্ত জার্মানির কোচ হিসাবে থাকবেন ক্লপ। আপাতত তেমনটাই ঠিক হয়েছে। মূল লক্ষ্য ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত জার্মানিকে ফের বিশ্ব ফুটবলের সেরাদের তালিকায় তুলে ধরা। অবশ্য এর মধ্যে একটি ইউরো এবং একটি নেশনস লিগও হবে। জার্মানির কোচ হিসাবে তাঁর প্রথম কাজ হবে নেশনস লিগে সম্মানজনক স্থানে দলকে তুলে আনা। তারপর তিনি ইউরোতে ফোকাস করবেন। চূড়ান্ত লক্ষ্য অবশ্যই ২০৩০ বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ভার মাথায় নিয়ে জার্মানির কোচের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জুলিয়ান নাগেলসম্যান। ২০২৩ সালে ৩৮ বছরের নাগেলসম্যান জার্মানির কোচের পদে আসীন হন নাগেলসম্যান। তাঁর কোচিংয়ে ২০২৪ ইউরোতে জার্মানি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। শেষপর্যন্ত তারা স্পেনের কাছে হেরে যায়। নাগেলসম্যানের কোচিংয়েই জার্মানি পঞ্চমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু নকআউট পর্ব থেকেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।
তাঁর পদত্যাগের কিছুক্ষণের মধ্যেই জার্মানির নতুন কোচের দায়িত্বভার নেওয়ার জন্য প্রাক্তন লিভারপুল কোচ জুরগেন ক্লপের সঙ্গে কথা শুরু করে ডিএফবি। ২০২৪ সালে লিভারপুলের কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর ক্লপ আর কোনও দলকে কোচিং করাননি। তিনি কোচিংয়ে ফিরলেন সোজা জাতীয় দলের দায়িত্ব নিয়ে।
