shono
Advertisement
silver glass

রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন

শিশুর অন্নপ্রাশনে রুপোর থালা-বাটিতে খাবার পরিবেশন করা হয়। অনেক সময় বিবাহের অনুষ্ঠানেও ব্যবহৃত হয় রুপোর বাসনপত্র। এমনকী সদ্যোজাত শিশুকে রুপোর ঝিনুকে খাবার খাওয়ালে শরীরে বেশি পুষ্টি যায়, এমনটা মনে করেন অনেকে।
Published By: Utsa TarafdarPosted: 04:41 PM Jun 04, 2026Updated: 04:41 PM Jun 04, 2026

তারকারা কি-না করে! সাধারণ মানুষের দিনযাপনের সঙ্গে তাঁদের ডেইলি রুটিনের বিস্তর ফারাক। সম্প্রতি এক ফিল্মের ট্রেলার লঞ্চে হাজির হন কঙ্গনা রানাউত। দর্শকাসনে বসে থাকাকালীন এক সময়ে জল পান করতে চাইলে, তাঁর সহকারী বোতল থেকে রুপোর গ্লাসে (silver glass) জল ঢেলে দেন। রুপোর গ্লাসটি থেকেই সরাসরি জল পান করেন অভিনেত্রী, আর সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সোশাল মিডিয়ায়। যদিও একটু খোঁজখবর করলেই দেখা যায় যে আগেও জনসমক্ষে রুপোর গ্লাসে জন পান করেছেন তিনি। এমনকী, এক সাক্ষাৎকার চলাকালীনও ওই গ্লাস ব্যবহার করতে দেখা যায় তাঁকে।

Advertisement

এমন গ্লাসের ব্যবহার করেন কেন তা জানতে চাইলে, উত্তরে কঙ্গনা জানান, গ্লাসটি বহুদিনের পুরনো। রুপোর সঙ্গে যোগ রয়েছে চাঁদের। রুপো শরীরকে শীতল করে। তাছাড়া, যাদের পিত্তজনিত সমস্যা থাকে, তাদের ক্ষেত্রেও কাজে দেয়। তাঁর এই ব্যখ্যা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত নেটনাগরিকরা। কেউ একে বড়লোকি শখ বলে দাগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু সত্যিই কি তাই? পুষ্টিবিদদের বক্তব্য অবশ্য তারকা অভিনেত্রীর সঙ্গেই মেলে। তাঁদের মতে, রুপোর গ্লাসে জল পান করলে অথবা রুপোর বাসনে খাবার খেলে, সত্যিই তা প্রভাবিত করে শরীরকে।

  • রুপো প্রাকৃতিক রূপেই জীবাণুরোধী। ফলে পানীয় জলে যদি কোনও রকমের ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গি বা ভাইরাস থাকে, তবে তা পানের আগেই বিনষ্ট হয়। শরীরে বিশুদ্ধ পানীয় জলই পৌঁছায় কেবল।
  • আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়, শরীরকে শীতল করে রুপোর গ্লাসে জলপান। কারণ রুপো এমনিতেই শীতল ধাতু। চাঁদের সঙ্গে এই ধাতুর যোগসূত্র রয়েছে বলে মনে করা হয়। যাদের শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, অর্থাৎ পিত্তজনিত সমস্যা থাকে, তাদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী।
  • অনেকেই বিশ্বাস করুন, রুপোর সংস্পর্শে খাদ্যের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। ফলে শরীরে খাদ্যের সবটুকু নির্যাস পৌঁছায়, অনাক্রম্যতা বাড়ে। যদিও এ নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে পুষ্টিবিদদের মধ্যে।
  • শেষতম কারণটি আবার অনেকখানি মানসিক। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, রুপোর গ্লাস যেহেতু রোজের ব্যবহারের সাধারণ কাচ অথবা স্টিলের গ্লাসের থেকে মূল্যবান, তাই এতে জল পান করার সময় গৃহস্থ সচেতন থাকেন। বারবার জল পানের আকাঙ্খাও জাগে। ফলে শরীরে জলের যোগান অব্যহত থাকে।

ভারতীয় সংস্কৃতিতে এমন বাসনের ব্যবহার বহুকাল ধরেই চলে এসেছে। এ কারণে শিশুর অন্নপ্রাশনে রুপোর থালা-বাটিতে খাবার পরিবেশন করা হয়। অনেক সময় বিবাহের অনুষ্ঠানেও ব্যবহৃত হয় রুপোর বাসনপত্র। এমনকী সদ্যোজাত শিশুকে রুপোর ঝিনুকে খাবার খাওয়ালে শরীরে বেশি পুষ্টি যায়, মনে করেন অনেকে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement