বর্তমানে বেশিরভাগ বাড়িতেই পোষ্য রাখার চল বেশি। কেউ আদর করে বাড়িতে কুকুর লালনপালন করেন। কারও বাড়ির চারপেয়ে সদস্য বিড়াল। তবে অনেক সময় রাস্তায় থাকা বিড়ালও এসে বাড়ির চৌহদ্দিতে ঢুকে পড়ে। সেখানেই ছানাদের নিয়ে সংসার পেতে বসে সে। গৃহস্থের দেওয়া দু'মুঠো মাছ-ভাত খেয়ে সুখে শান্তিতে বাঁচে সে। বাস্তুমতে বাড়ির চৌহদ্দিতে বিড়ালের সংসার পাতা শুভ নাকি অশুভ, জেনে নিন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিড়ালেরা সাধারণত সন্তান প্রসবের আগে নিরাপদ জায়গা খোঁজে। তাই গৃহস্থের বাড়ির কোণে ঘাঁটি গাড়ে। কেউ কেউ সন্তান-সহ কিংবা অন্তঃসত্ত্বা বিড়ালকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। বাস্তুশাস্ত্রবিদদের মতে, এই কাজ করা অনুচিত। তাতে সংসারের ক্ষতি হয়। কারণ, বাড়িতে বিড়াল ছানা দেওয়া অত্যন্ত শুভ ইঙ্গিত। তাতে আপনার ভাগ্যোন্নতি হতে পারে।
অনেকেই বিশ্বাস করেন, কালো বিড়াল অত্যন্ত অশুভ। বাস্তুশাস্ত্রবিদদের মতে, কালো বিড়াল বাড়ির আশপাশে ঘোরাফেরা করলে সতর্ক থাকা উচিত। বিশেষত ঘুম থেকে উঠে যদি কালো বিড়াল দেখেন কিংবা রাতে ডাক শোনেন, তাহলে সাবধানে থাকা প্রয়োজন।
সাদা বিড়াল আবার অত্যন্ত শুভ। কারণ, সাদা বিড়ালের সঙ্গে মা লক্ষ্মীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই সাদা বিড়ালকে যত্ন রাখুন। তাতে আপনার ভাগ্যোন্নতি হবে। বাড়বে আয়ও।
সোনালি বিড়াল বাড়িতে থাকা অত্যন্ত শুভ। এই রঙের বিড়াল বাড়িতে আসলে তাকে যত্ন করে রাখুন। কারণ, বাস্তুশাস্ত্রবিদরা মনে করেন বাড়িতে সোনালি বিড়ালের সঙ্গে কোনও সুসংবাদও পেতে পারেন। কোনও আটকে থাকা কাজও হতে পারে।
তবে বাড়িতে বিড়াল ঝগড়া করলে তা মোটেও ভালো লক্ষণ হয়। তাতে আপনার সংসারেও অশান্তি হতে পারে। তাই ঝগড়াঝাটি করলে তা থামিয়ে দিন। নইলে সেই বিড়ালদের বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করুন।
