shono
Advertisement
PM Modi

গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে গোপন বৈঠকে শাহ-নীতীন নবীন, বড় কোনও সিদ্ধান্তের পথে সরকার?

ওই বৈঠক কী নিয়ে? কী আলোচনা হল সেখানে? কোনও কিছুই সরকারিভাবে জানানো হয়নি। সবটাই গোপন রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
Published By: Subhajit MandalPosted: 11:39 AM Jul 16, 2026Updated: 11:39 AM Jul 16, 2026

বুধবার গভীর রাত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন থেকে একে একে বেরিয়ে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপি সভাপতি নীতীন নবীন, দলের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বিএল সন্তোষ। কিছুক্ষণ পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতা এবং মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে প্রভাবশালী মন্ত্রী অর্থাৎ অমিত শাহর সঙ্গে উচ্চস্তরীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অথচ ওই বৈঠক কী নিয়ে? কী আলোচনা হল সেখানে? কোনও কিছুই সরকারিভাবে জানানো হয়নি। সবটাই গোপন রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা, তাহলে কি বড় কোনও সিদ্ধান্তের পথে মোদি সরকার।

Advertisement

সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু আগামী ২০ জুলাই থেকে। শোনা যাচ্ছে, তার আগেই মন্ত্রিসভায় রদবদল চূড়ান্ত করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৭-৮ জন সাংসদ নতুন করে মন্ত্রী হতে পারেন। প্রত্যাশিতভাবেই মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের উপর ছাঁটাইয়ের খাঁড়া ঝুলছে। সেই তালিকায় একেবারে শীর্ষস্তরের বিজেপি নেতারাও রয়েছেন। এমনকী প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজনদের নামও শোনা যাচ্ছে। আবার নীতীন নবীন সভাপতি হওয়ার পর ৬-৭ মাস কাটতে চলল। এখনও তাঁর নিজস্ব নতুন টিম তৈরি হয়নি। শোনা যাচ্ছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল একসঙ্গে হবে। সেজন্যই কী গভীর রাতে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী?

মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা যখনই শোনা যাচ্ছে, তখনই আলোচনা আটকে যাচ্ছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের নামে। ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে ইতিমধ্যেই কার্যত দেশজুড়ে আন্দোলন করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক ১৯ দিন ধরে তাঁর ইস্তফার দাবিতে অনশন করছেন। মোদি কি প্রধানকে ছাঁটতে চলেছেন? সমস্যা হল, তিনি সংঘের পছন্দের লোক। মোদি-শাহেরও ঘনিষ্ঠ। নিতান্তই যদি তাঁকে সরানো হয় তাহলে অন্য কোনও মন্ত্রকে পাঠানো হতে পারে। বা বিজেপির সংগঠনে বড় কোনও পদ দেওয়া হতে পারে। সেসব নিয়েও বুধবার রাতে আলোচনা হতে পারে।

অবশ্য, আলোচনার কেন্দ্র থাকতে পারে সংসদের বাদল অধিবেশনও। এই অধিবেশনেই আসন পুনর্বিন্যাস সংশোধনী পেশ করতে পারে মোদি সরকার। ওই আইন পাশ করানোর জন্য যে সংখ্যার সাংসদ প্রয়োজন সেটা প্রয়োজনে মরিয়া চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তাতে একাধিক বিরোধী সাংসদকে সরাসরি বিজেপিতে যোগদানও করানো হচ্ছে। সেসব নিয়েও আলোচনা হতে পারে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement