সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাত্র তিনদিনের ব্যবধানে ফের বিপর্যস্ত কাশ্মীর! এবার মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে কাঠুয়ায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে জাতীয় সড়ক। আপাতত আমজনতাকে নদী সংলগ্ন এলাকাগুলি থেকে দূরে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারই মেঘভাঙা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে কাশ্মীরের চাসোটি। সেখানে অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে কাশ্মীরে। তার মধ্যেই রবিবার ভোররাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান নামে কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলায়। জাঙ্গলোট এলাকার একটি গ্রাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ইতিমধ্যেই সেখানে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। রেলের ট্র্যাক, জাতীয় সড়ক, থানাও ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে বলেই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
আপাতত আমজনতার জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। লাগাতার বৃষ্টির জেরে নদী এবং অন্যান্য এলাকায় বাড়ছে জলস্তর। তাই আমজনতাকে আপাতত ওই এলাকাগুলি থেকে দূরে থাকতে বলা হয়। অন্যদিকে, রবিবার সকালে হড়পা বান নেমেছে হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডিতেও। বেশ কয়েকটি জাতীয় সড়কে যান চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে মাণ্ডিতে কারও মৃত্যুর খবর মেলেনি।
উল্লেখ্য, কাশ্মীরের চাসোটি এখনও পর্যন্ত হড়পা বানের ক্ষত সারিয়ে উঠতে পারেনি। গত বৃহস্পতিবার মেঘভাঙা বৃষ্টিতে সেখানে অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম শতাধিক। পাঁচশোর বেশি মানুষ আটকে রয়েছেন বলেই আশঙ্কা। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। বাতিল করেন স্বাধীনতা দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
