shono
Advertisement
Bengaluru

বিষে কাজ না হওয়ায় শ্বাসরোধ করে 'খুন', স্ত্রীকে মেরে নিজেও 'আত্মহত্যা'র নাটক অভিযুক্তের!

২২ বছরের মেয়ের ইনস্টা স্টোরি থেকে বিয়ের খবর জানতে পারে পরিবার।
Published By: Biswadip DeyPosted: 02:16 PM Jun 16, 2026Updated: 05:15 PM Jun 16, 2026

বেঙ্গালুরুতে এক ২২ বছরের তরুণীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি ভাড়াবাড়িতে তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ওই তরুণীর স্বামীই তাঁকে হত্যা করেছেন। এবং গোটা বিষয়টিকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করেছেন। এমনকী নিজেও বিষ খেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশের দাবি, আসলে সবটাই নাটক ও খুন থেকে অব্যাহতি পাওয়ার চক্রান্ত। গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্তকে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, মৃতার নাম ভবানী এস। তিনি একটি মোবাইলের দোকানে কাজ করতেন। বেঙ্গালুরুতে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। তাঁর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চন্দন ওরফে চন্দ্রশেখরের সঙ্গে। বছরখানেক আগে তাঁরা বিয়েও করে নেন। কিন্তু কারও বাড়িতেই কিছু জানানো হয়নি। এর আগে বহু বছর ধরে তাঁরা সম্পর্কে ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। যদিও তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে চন্দ্রশেখর আগেই বিবাহিত। এমনকী, তাঁর একটি ছ'বছরের শিশুসন্তানও রয়েছে!

গত ১৩ জুন ভবানী ও চন্দ্রশেখরের একটি ছবি তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নজরে আসার পরই ভবানীর মৃত্যুর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। প্রথম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে চন্দ্রশেখরই সম্ভবত ছবিটি আপলোড করেছিলেন। আর এই পোস্টটিই ভবানীর আত্মীয়দের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করে। বারবার ফোন করেও ভবানীর সাড়া মেলেনি। এরপরই মেয়েটির বাবা তাঁর বাড়িওয়ালার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু শেষে দেখা যায়, ঘরের দরজা বন্ধ। ভেঙে ভিতরে ঢুকলে ভবানীর দেহ উদ্ধার হয় সেখান থেকে। পাশেই পড়েছিলেন চন্দ্রশেখর। তাঁর শরীরেও বিষ মিলেছে।

ভবানীর বাবা জানিয়েছেন, তাঁরা মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছিলেন। আগামী সপ্তাহেই ছিল বাগদান। সম্ভবত এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই ভবানী ও চন্দ্রশেখরের মধ্যে কলহ শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, ভবানীকে বিষ খেতে বলেন চন্দ্রশেখরই। তাঁর দাবি ছিল তিনিও ভবানীর সঙ্গে বিষ খাবেন। কিন্তু দেখা যায়, ভবানী বিষ খাওয়ার পর বমি করে দেওয়ায় তা শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। চন্দ্রশেখর এরপর শ্বাসরোধ করেই খুন করেন তাঁকে। নিজেও বিষপান করেন। সম্ভবত, পুলিশের কাছে নিজেকেও আক্রান্ত দেখানোর কৌশল। এবং সেই কারণেই অল্প বিষ পান করেছিলেন তিনি। যাতে শেষে তিনি বেঁচে যান। এবং ভবানী মারা যান। কিন্তু এবার চন্দ্রশেখর পুলিশের জালে। ঠিক কী কারণে শেষদিন ঝগড়া হয় যুগলের, তা এখনও জানা যায়নি। এদিকে প্রতিবেশীরা এমন এক ঘটনায় স্তম্ভিত। তাঁদের দাবি, ওই যুগলের মধ্যে কোনও রকম বিষয়ে মতবিরোধ হওয়া থেকেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। কিন্তু এতদিন তাঁদের মধ্যে কোনওরকম বচসার চিহ্ন দেখা যায়নি বলে দাবি পাড়া-প্রতিবেশীর।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement