shono
Advertisement
Monsoon Session

বাদল অধিবেশনেই ফিরছে 'দাগি' মুখ্যমন্ত্রীদের গদি কাড়ার বিল, ফাঁস সাংসদ ভাঙানোর আসল কারণ

ঠান্ডা ঘর থেকে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল ফিরিয়ে আনতে চলেছে মোদি সরকার।
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:35 PM Jul 01, 2026Updated: 09:35 PM Jul 01, 2026

ঠান্ডা ঘর থেকে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীদের অপসারণ সংক্রান্ত বিল ফিরিয়ে আনতে চলেছে মোদি সরকার। সম্ভবত, সংসদের বাদল অধিবেশনেই ওই বিল নতুন করে, এবং কিছুটা সংশোধন করে পেশ করবে সরকার পক্ষ। আপাতত বিলটি পাঠানো হয়েছে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে সংশোধনের জন্য।

Advertisement

গত বছর অগস্টে সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষদিন লোকসভায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন (সংশোধনী) বিল ২০২৫, সংবিধান (১৩০ তম সংশোধনী) বিল ২০২৫ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস (সংশোধনী) বিল ২০২৫। ওই বিলগুলি মূলত সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে আনা। গুরুতর অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনও মন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নিজের পদের জন্য সাংবিধানিক রক্ষাকবচ না পান, সেটাই নিশ্চিত করতে ওই বিলগুলি আনা হয়।

প্রস্তাবিত ওই বিলে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বা কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং মন্ত্রীপদে আসীন অবস্থায় কেউ যদি গুরুতর অপরাধে ৩০ দিনের বেশি জেলে থাকেন তাহলে তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করা হবে। কংগ্রেস-সহ গোটা বিরোধী শিবির বিলটির বিরোধিতা করেছে। ইন্ডিয়া জোটের বক্তব্য, এটা আসলে বিরোধীদের নির্বাচিত সরকার ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেসময় বলেন, এই বিল আসলে সুপার এমার্জেন্সি লাগু করার চেষ্টা। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে চিরতের ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে মোদি সরকার। শেষমেশ সরকার বিলটিতে ভোটাভুটি না করিয়ে সেটিকে যৌথ সংসদীয় কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বিজেপি সাংসদ অপরাজিতা সারেঙ্গীর নেতৃত্বে গঠিত ওই কমিটি দীর্ঘদিন ধরে বিলটি নিয়ে বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া নিচ্ছে। সূত্রের খবর, আগামী ১৭ জুলাই সংসদীয় কমিটি বিলটিতে ছাড়পত্র দিয়ে দিতে পারে। মজার কথা হল আসাদউদ্দিন ওয়েইসি, সুপ্রিয়া সূলেদের মতো প্রথম সারির বিরোধী মুখ ওই কমিটির সদস্য। যদিও ভোটাভুটিতে শাসক শিবিরের সাংসদরাই এগিয়ে। ফলে ওয়েইসি-সুপ্রিয়াদের মতামত গুরুত্ব পাবে না। তবে তাঁরা ডিসেন্ট নোট জমা দিতে পারেন। সব মিলিয়ে ছাড়পত্র পেলেই ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে চলা বাদল অধিবেশনে ওই বিল নতুন করে পেশ করতে পারেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই বিলগুলি যেহেতু সংবিধান সংশোধনী, তাই সেগুলি পাশ করানোর জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন পড়বে। প্রশ্ন উঠছে, তৃণমূল বা শিব সেনা থেকে সাংসদ ভাঙানো কি একারণেই?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement