বুধবার গুরু রানধাওয়ার মালিকানাধীন জিমে গুলি চালিয়েছিল বিষ্ণোই গ্যাং। এরপরই বৃহস্পতিবার ভোররাতে হরিয়ানার হান্সিতে বাইকে করে এসে গুলিবৃষ্টি করল সেই বিষ্ণোই গ্যাংই। মারা গেলেন এক জিমের মালিক। এমন ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
জানা গিয়েছে, আজ ভোর সাড়ে পাঁচটায় ফাওয়ারা চকে হাজির হয় দুই বাইক আরোহী। হেলমেটে তাদের মুখ ঢাকা ছিল। এরপরই তারা জিম মালিক কপিলকে গুলিতে ফুঁড়ে দিয়ে চলে যায়। ৫ সেকেন্ডে ১০ রাউন্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় কপিলের। সেই সময় ঘটনাস্থলেই উপস্থিত ছিলেন শিখা নাম্নী এক তরুণী। তিনিও আহত হয়েছেন হামলায়। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
হামলা চালানোর পর হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে এসেছে। হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এবং এলাকা ঘিরে ফেলে। শুরু করে তল্লাশি। তবে ততক্ষণে দুষ্কৃতীরা চম্পট দিয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে সিআইএ) ও ফরেনসিক দলকে তলব করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য হরি বক্সারের নামে একটি অডিও বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। ওই অডিওতে হরি বক্সার আরডি ধালিওয়াল, হারমান সান্ধু ও বিক্রম কাধালের সঙ্গে মিলে এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।
এদিকে বুধবার রাতে দিল্লিতে গুরু রানধাওয়ার ‘আখাড়া’তেও হামলা চালায় সংশ্লিষ্ট গ্যাংস্টার। ইতিমধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় ফলাও পোস্ট করে সেই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে তারা। মনে করা হচ্ছে, সলমন খান ঘনিষ্ঠ হওয়ার মাশুল গুনতে হল শিল্পীকে।
