shono
Advertisement
Punjab

বন্ধ ঘরে নিথর দেহ, আত্মহত্যা না খুন? পাঞ্জাবে মহিলা চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যুতে অভিযুক্ত স্বামী

তরুণীর পরিবার অভিযোগ করেছে, অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন স্বামী। চিকিৎসকের উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হত।
Published By: Kishore GhoshPosted: 03:22 PM Jun 11, 2026Updated: 04:22 PM Jun 11, 2026

পাঞ্জাবের জলন্ধর শহরে মহিলা চিকিৎসকের রহস্যমৃত্যু। আত্মহত্যা না খুন এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও তরুণীর পরিবার অভিযোগ করেছেন, অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন স্বামী। এই নিয়ে অশান্তি হয়। চিকিৎসকের উপর মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ।

Advertisement

মৃত চিকিৎসকের নাম মীনাক্ষী। তাঁর স্বামী পীযূষও একজন চিকিৎসক। তিনি জলন্ধরের ন্যাশানাল আই হসপিটালের কর্ণধার। বনিবনা না হওয়ায় আলাদা থাকছিলেন মীনাক্ষী। বুধবার নিজের বাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় তরুণীর দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, বাড়ির সমস্ত দরজা ও জানলা বন্ধ ছিল। শেষ পর্যন্ত একটি ঘরের কাচের জানলা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন পুলিশকর্মীরা।

তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে পীযূষ-মীনাক্ষী বিয়ে করেন। তরুণীর পরিবার অভিযোগ করেছে, পীযূষের হাসপাতালের এক নার্সের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ঘনিষ্টতার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ফেলেন মীনাক্ষী। এই নিয়ে প্রশ্ন করতেই পীযূষ মারধর করেন স্ত্রীকে। সেই কথা মীনাক্ষীর মা-বাবার কাছে স্বীকারও করেন তিনি। এর জেরে উভয়ের সম্পর্কের অবনতি হয়। ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে আলাদা থাকা শুরু করেন মীনাক্ষী। তিনি আইনি বিচ্ছেদের বিষয়েও তৎপর হয়েছিলেন। যদিও বাবার কথায় কিছুটা বিলম্ব করছিলেন।

এর মধ্যেই নিজের জন্য একটি বাড়ি কেনার চেষ্টা করছিলেন ড. মীনাক্ষী। পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসক ব্যাঙ্কে গিয়ে অবাক হয়ে যান। তিনি দেখেন, ইতিমধ্যে তাঁর নামে ২.৫ কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। একটি গাড়ি এবং স্বামীর হাসপাতালের জন্যে। যদিও মীনাক্ষীর স্বাক্ষর ছাড়াই এই কাজ হয়েছে বলে অভিযোগ। তরুণীর মা বলেন, "আমরা এখনও জানি না এটা আত্মহত্যা না খুন। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট হাতে এলেই বিষয়টি খোলসা হবে।" মীনাক্ষীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একটা মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement