সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লোকসভায় অনাস্থা প্রস্তাবে উতরে যাওয়ার পর এটাই ছিল প্রথম বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠক। হাজির ছিলেন লালকৃষ্ণ আদবানী, রাজনাথ সিং, অমিত শাহ, নীতীন গড়কড়ির মতো শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে বৈঠকে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।
[পরাধীন ভারতে স্কুল তৈরি পূর্বসূরির, স্বাধীন দেশে ঠাঁই নেই গোটা পরিবারের]
অসমের নাগরিকপঞ্জি নিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত দিল্লির রাজনীতি। সরকারকে কোণঠাসা করতে একযোগে আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, বহুজন সমাজ পার্টি, সমাজবাদী পার্টির মতো বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভও দেখিয়েছে বিরোধী সাংসদরা। স্বাভাবিকভাবেই প্রত্যাশা করা হচ্ছিল বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে এনআরসির মতো গুরুগম্ভীর বিষয় নিয়ে আলোচনা গবে। কিভাবে বিরোধীদের অভিযোগের মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে আলোচনায় বসবেন বিজেপি শীর্ষনেতারা। তেমন আলোচনা হলও বটে তব, তা গৌণস্তরে। আলোচনার থেকেও মুখ্যত ধরা পড়ল সেলিব্রেশনের ছবি। কীসের সেলিব্রেশন? কদিন আগেই সংসদে টিডিপির আনা অনাস্থা প্রস্তাবে বড়সড় জয় পেয়েছে গেরুয়া শিবির। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঞ্চে উঠতেই সেই জয়ের সেলিব্রেশন শুরু করলেন বিজেপি সাংসদরা। প্রথমে প্রধানমন্ত্রীকে মালা পরিয়ে দেওয়া হল। পরে শুরু লাড্ডু বিলি। প্রধানমন্ত্রীর মুখে লাড্ডু তুলে দিলেন খোদ বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। সেলিব্রেশন শেষে প্রধানমন্ত্রীর গলাতেও শোনা গেল অনাস্থা প্রস্তাবে জয়ের কাহিনী। বললেন, ‘যারা অনাস্থা প্রস্তাব আনল তারা প্রস্তুতিই নিয়েছিল না।’
[‘নাগরিকপঞ্জির ভাবনা আমাদের’, কৃতিত্ব দাবি তরুণ গগৈয়ের]
এনআরসি নিয়ে যখন জাতীয় রাজনীতি উত্তাল তখন বিজেপির সংসদীয় দলের বৈঠকে এ নিয়ে সেভাবে আলোচনা না হওয়াই অনেকেই অবাক হয়েছেন। যদিও বিজেপি সূত্রের খবর, আগে থেকেই এনআরসি নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে প্রস্তুত হয়েছিলেন বিজেপির নেতা-মন্ত্রীরা, তাই এদিনে সভায় বিশেষ কিছু বলার প্রয়োজন পড়েনি। শুধু শেষ মুহূর্তের পরামর্শ দেওয়া হয়। বৈঠকের শেষে সংসদের অধিবেশনে এনআরসি নিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খোদ বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।
The post বিজেপি সংসদীয় দলের বৈঠকে লাড্ডুর ছড়াছড়ি, ব্যাপারটা কী? appeared first on Sangbad Pratidin.
