সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রেমে পড়লে কারও কি মাথার ঠিক থাকে? ইতিহাস সাক্ষী আছে, প্রেমে পড়ে মানুষ কত কঠিন বাধাই না অতিক্রম করেছেন। তেমনই এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন চণ্ডীগড়ের এক যুবক। পেশায় মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার প্রেমের পথে বাধা দূর করতে সটান প্রধানমন্ত্রীকেই চিঠি লিখে ফেললেন। প্রেমিকাকে বিয়ে করতে মোদির দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। নিজের এবং প্রেমিকার মা-বাবাকে রাজি করাতে মোদির সাহায্য চেয়েছেন। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবে হয়েছে তাই। পেশায় নার্স প্রেমিকার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে নাওয়া-খাওয়া ভুলেছেন ওই যুবক। তাঁর একটাই আবেদন, প্রধানমন্ত্রী যেন কাউকে তাঁর এবং ওই তরুণীর বাড়িতে পাঠিয়ে তাঁদের মা-বাবাকে বিয়েতে রাজি করান। এমন অদ্ভূত আবদার এসেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে।
পিএমও-র আধিকারিকরা জানিয়েছেন, চণ্ডীগড়ে অবস্থিত এই শাখায় জনগণের যত অনুরোধ-আবেদন আসে তার ৬০ শতাংশই এমন আজব আবদার। সবাই চিঠি মারফত চান প্রধানমন্ত্রী যেন তাঁদের মুখে হাসি ফোটান। চণ্ডীগড়ের ওই যুবকও তেমনই আবদার রেখেছেন। উদাহরণস্বরূপ, কিছুদিন আগে এক ব্যক্তি অনুরোধ করেন যে চণ্ডীগড় পুলিশকে যেন একটা হেলিকপ্টার দেওয়া হয়। যাতে তারা সময়ে অপরাধস্থলে পৌঁছতে পারে। যদিও ১০ লক্ষর একটু বেশি লোকের বাস এই শহরে এবং এর আয়তন ১১৪ বর্গকিমি। তবুও এমন আবেদন। মজার এখানেই শেষ নয়, আরও এক বাসিন্দার অভিযোগ, কে বা কারা তাঁর বাগানের ফুল ছিঁড়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
মাসে প্রায় ৪০০-এর বেশি অভিযোগ জমা পড়ে চণ্ডীগড় শহরের প্রশাসনিক দপ্তরে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বেশিরভাগই ব্যক্তিগত অভাব-অভিযোগ।
