সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছত্তিশগড়ে একটি গোশালায় ৩০০টি গরুর মৃত্যুর ঘটনায় আগেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত গবাদি পশুর দেহগুলি কসাইদের কাছে বিক্রি করাই শুধু নয়, গরুর চামড়া ও হাড়গোড় নিয়ে রীতিমতো ব্যবসা করতেন বিজেপি নেতা হরিশ বর্মা।
[ছত্তিশগড়ে বিজেপি নেতার গোশালায় অনাহারে মারা গেল ২০০টি গরু!]
দেশে বেআইনি গো-হত্যা রুখতে পশুহাট বা পশুবাজারে গবাদি পশু বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মোদি সরকার। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশুহাট বা পশুবাজারে আর বেআইনিভাবে পশুর মাংস বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে না। ধর্মীয় কারণে বলি দেওয়ার জন্য বা মাংস খাওয়ার জন্যও ওই বাজার বা মেলায় আর গবাদি পশু বিক্রি করা যাবে না। কিন্তু, এবার খোদ বিজেপিশাসিত ছত্তিশগড়েই গো-হত্যা ইস্যুতে মুখ পুড়ল শাসকদলের। বিজেপি নেতা হরিশ বর্মার গোশালাতেই অনাহার ও ওষুধের অভাবে মৃত্যু হয়েছে ৩০০টি গরুর। গ্রেপ্তারও করা হয়েছে ওই বিজেপি নেতাকে। আর এবার সেই ঘটনার তদন্তেই চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলল। ছত্তিশগড়ের দুর্গ জেলার ডিআইজি দীপাংশু কাবরা জানিয়েছেন, জেরায় বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত জানিয়েছে, মৃত গরুর দেহগুলি কসাইদের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হত। গরুর চামড়া ও হাড়গোড়া নিয়েও ব্যবসা করা হত।
[৩৬টি ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক দম্পতি!]
দুর্গ জেলার রাজপুর গ্রামে বিজেপি নেতা হরিশ বর্মার বাড়িতেই একটি গোশালা আছে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করেছিলেন, সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ওই গোশালাতে ৩০০টি গরুর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে বেশিরভাগ গরুর মৃতদেহ গোশালার কাছে একটি জায়গায় পুঁতে দিয়েছেন ওই বিজেপি নেতা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন পশু চিকিৎসকরা। তাঁদের অনুমান, অনাহার ও ওষুধের অভাবেই মৃত্যু হয়েছে গরুগুলি। ছত্তিশগড় রাজ্য গৌ-সেবা আয়োগের অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি নেতা হরিশ বর্মাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে পশুদের সঙ্গে নৃশংস আচরণের অভিযোগে মামলা রুজু করে শুরু হয় তদন্ত।
[নোট বাতিলের পর পুরনো নোট কতটা ফিরল রিজার্ভ ব্যাঙ্কে?]
The post OMG! গরুর হাড় ও চামড়া নিয়ে ব্যবসা করত এই বিজেপি নেতা! appeared first on Sangbad Pratidin.
