shono
Advertisement
Parliament monsoon Session

জন্ম-মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশনেও কড়া নিয়ম আনছে কেন্দ্র, দেরি হলেই শাস্তি! পড়তে হবে ভোগান্তিতে

বাদল অধিবেশনে পাঁচটি বিলকে আলোচনা ও পাশের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তকরণ (সংশোধনী) বিল।
Published By: Subhajit MandalPosted: 09:30 AM Jul 17, 2026Updated: 09:30 AM Jul 17, 2026

পরিবারে নতুন কোনও সদস্য এলে বা কারও মৃত্যু হলে শংসাপত্র তৈরি অর্থাৎ রেজিস্ট্রেশনে কোনওরকম ঢিলেমি নয়। অহেতুক দেরি হলে রীতিমতো ভোগান্তির মুখে পড়তে হতে পারে। এমনকী, আর্থিকভাবে 'জরিমানা'র মুখেও পড়তে হতে পারে। সংসদের বাদল অধিবেশনেই নয়া বিল আনছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার।

Advertisement

বাদল অধিবেশনের আগে বৃহস্পতিবার লোকসভার সচিবালয়ের জারি করা বুলেটিনে পাঁচটি বিলকে আলোচনা ও পাশের জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তকরণ (সংশোধনী) বিল, যেখানে দেরিতে জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তির নিয়ম আরও কঠোর করার প্রস্তাব রয়েছে। সূত্রের দাবি নয়া বিলের খসড়ায় বলা হয়েছে, জন্ম ও মৃত্যুর নথিবদ্ধকরণে দু’বছর দেরি হলে জেলাশাসক, মহকুমাশাসক বা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে তবেই তা নথিবদ্ধ করা যাবে।

সূত্রের দাবি বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, পরিবারের কারও মৃত্যু বা জন্ম হলে একুশ দিনের কাছে তা স্থানীয় স্তরে নথিভুক্ত করাতে হয়। যদি সেটা না করানো হয় তাহলে জেলা রেজিস্টারের অনুমতি নিয়ে নথিভুক্ত করানো যায়। তবে সেটার জন্য নির্দিষ্ট কিছু লেট ফি দিতে হয়। কেন্দ্র নয়া যে খসড়া আনছে তাতে ৩০ দিন থেকে দু'বছরের মধ্যে জন্ম ও মৃত্যু রেজিস্ট্রেশনের কথা জানানো হয়, তাহলে জেলা স্তরের রেজিস্ট্রারের অনুমতি নিয়েই জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন করানো যাবে। সেক্ষেত্রে আগের যে রেজিস্ট্রেশন ফি ছিল সেটা বাড়ানো হতে পারে। তবে মূল সমস্যাটা হবে দু'বছরের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন না করালে। সেক্ষেত্রে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে তবেই নথিভুক্ত করানো যাবে। যার অর্থ জন্ম বা মৃত্যুর নথিভুক্তকরণের জন্য জেলা স্তরের সরকারি অফিসে দরবার করতে হবে। এবং সেই অনুমতি পেতে নথিও জোগাড় করতে হবে।

কিন্তু কেন এই কড়াকড়ি? কেন্দ্র সরকারি সূত্র বলছে, সঠিক সময়ে জন্ম ও মৃত্যুর রেজিস্ট্রেশন সরকারর নীতি নির্ধারণের জন্য জরুরি। অহেতুক দেরির ফলে অনেক সময় জনসংখ্যার সঠিক অনুমান থাকে না সরকারের কাছে। তাছাড়া বহু ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে মৃতদের আধার কার্ড-সহ অন্যন্য তথ্যের অপব্যবহার হচ্ছে। এমনকী এগুলি কাজে লাগিয়ে অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসবাদের মতো গুরুতর সমস্যা দেখা দিচ্ছে। সেসব রুখতেই এই সিদ্ধান্ত।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement