সমাজের জন্য কাজ করেন এমন ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতে হবে, সে ব্যক্তি যে রাজনৈতিক মতাদর্শেরই হোন না কেন। সমাজের জন্য কাজ করেন এমন মানুষদের পাশে দাঁড়ানো দলের কর্তব্য। সেক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শকে গুরুত্ব না দিয়ে তাঁর সামাজিক অবদানকেই প্রাধান্য দিতে হবে। সোমবার রাতে দিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরে দলীয় পদাধিকারীদের বৈঠকে এমনই বার্তা দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সমাজকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখানো প্রয়োজন।
বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গ প্রসঙ্গও বিশেষভাবে উঠে আসে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে বাংলার সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব স্পষ্ট করে দেয়, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও সমাজের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করা মানুষদের সম্মান ও সহযোগিতা করা উচিত। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, মানুষের আস্থা অর্জনের জন্য শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, সামাজিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় উপস্থিতি জরুরি। বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর সংগঠনের দায়িত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাই সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়ানো, সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা ব্যক্তি ও সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংগঠনকে আরও জনমুখী করে তোলার প্রশ্নে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কাজ করা ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সামাজিক উদ্যোগের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর জন্যও বাংলাসহ দেশের সমস্ত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছেন নবীন।
বিজেপি সূত্রের খবর, বাংলায় সরকার গঠনের পর এখন সংগঠনের ভিত আরও মজবুত করা এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিজেপি। সেই কারণেই জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
বিজেপি সূত্রের খবর, বাংলায় সরকার গঠনের পর এখন সংগঠনের ভিত আরও মজবুত করা এবং সমাজের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে স্থায়ী সম্পর্ক গড়ে তোলাকেই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে বিজেপি। সেই কারণেই জনসংযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিজেপির অন্দরে অনেকের মতে, রাজনৈতিক মেরুকরণের আবহে নীতিনের এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এতে দলীয় রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে সামাজিক পরিসরে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর ইঙ্গিত মিলছে। দলের অন্দরে এই বার্তাকে আগামী দিনের সাংগঠনিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বাংলায় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে এই নির্দেশকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।বাংলার ক্ষেত্রে সেই কৌশল কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর সকলের।
