shono
Advertisement
CM Suvendu Adhikari

মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ, গতি পেল সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের কাজ, জুড়ছে শিলিগুড়ি-সিকিম

উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা এলাকার ২০ একর জমি প্রথমে সরাসরি বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হবে। মূলত পরিবেশগত ছাড়পত্রের বিষয় সুনিশ্চিত করতে এই পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।
Published By: Kousik SinhaPosted: 05:36 PM Jun 04, 2026Updated: 05:36 PM Jun 04, 2026

পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে জলপাইগুড়ি জেলার ২০ একর জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে ৷ এরপরেই জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, নাগরাকাটা ব্লকের এই জমি রেলের হাতে তুলে দেওয়ার আগে প্রথমে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Advertisement

প্রসঙ্গত, ৪৪.৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেবক-রংপো রেলপথ শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমের রংপোকে যুক্ত করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতীয় রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে পাহাড়ি রাজ্য সিকিম। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার কথা। প্রকল্পের প্রায় ৪৪.৯৬ কিলোমিটারের মধ্যে ৪১.৫৫ কিলোমিটার পশ্চিমবঙ্গে এবং ৩.৪১ কিলোমিটার সিকিমে পড়েছে। বুধবার রাজ্যের নবান্নে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ওই সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দিন ধরে চলা এই রেল প্রকল্পের কাজে যে জমি-জট অথবা পরিকাঠামোগত বাধা ছিল সেটা দূর হল। রাজ্যের পদক্ষেপের ফলে দ্রুতগতিতে উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের মধ্যে রেল যোগাযোগের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। 

৪৪.৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেবক-রংপো রেলপথ শিলিগুড়ির সঙ্গে সিকিমের রংপোকে যুক্ত করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতীয় রেলপথে যুক্ত হতে চলেছে পাহাড়ি রাজ্য সিকিম। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এটি সম্পূর্ণ চালু হওয়ার কথা।

জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নাগরাকাটা এলাকার ২০ একর জমি প্রথমে সরাসরি বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হবে। মূলত পরিবেশগত ছাড়পত্রের বিষয় সুনিশ্চিত করতে এই পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে। এরপর বনদপ্তর তাদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জমি রেল প্রকল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পাকাপাকিভাবে হস্তান্তর করবে। রেলের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, কেন্দ্র এবং রাজ্যের সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ধরনের বড় ও জাতীয় স্তরের প্রকল্পগুলি দ্রুত আলোর মুখ দেখতে পারছে। বন দপ্তরের মাধ্যমে জমি হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হলে আগামী দিনে নির্মাণ সংস্থা নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করতে পারবে।

এখন শুধু অপেক্ষা, কবে সেবক থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনের হুইসেল সিকিমের রংপো স্টেশনে গিয়ে পৌঁছয় এবং দুই রাজ্যের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নেয়। সেবক-রংপো রেললাইনটি হিমালয় অঞ্চলের পরিবহন, পর্যটন, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে সিকিম জাতীয় রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে জুড়বে। এই পাহাড়ি রেল প্রকল্প ৩৮.৬ কিলোমিটার সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। এতে মোট ১৪টি টানেল, ১৩টি বড় এবং ১০টি ছোট সেতু রয়েছে। এই রুটে মোট ৫টি স্টেশন থাকবে। সেগুলো হল সেবক, রিয়াং, মেল্লি, রংপো এবং তিস্তা বাজারে একটি ভূগর্ভস্থ হল্ট স্টেশন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement